
ক্রীড়া ডেস্ক

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নেমেছিল বাংলাদেশ। মনিকা চাকমা আর ঋতুপর্ণা চাকমার গোলে তা করে দেখিয়েছে কোচ পিটার বাটলারের শিষ্যরা। স্বাগতিক নেপালকে ফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়ে জিতেছে সাফ শিরোপা।
দ্বিতীয় মিনিটে পূজা রানার ভুলে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন তহুরা খাতুন। তার শট ক্রসবারে প্রতিহত হয়। ফিরতি চেষ্টায় তার হেডার ঠেকান নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা। এর পরের মিনিটেই ছোট একটা ভুল করে বসেছিলেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক রুপনা চাকমাও। যদিও সাবিত্রা ভাণ্ডারি সে সুযোগটা কাজে লাগানোর আগেই সামলে নেন রুপনা। দুটো ভুলই জানান দিচ্ছিল, ফাইনালের স্নায়ুচাপ দুই দলেই ভালোভাবে জেঁকে বসেছে।
ক্রসবার শুরুর দিকে বাংলাদেশের গোলের পথ আগলে দাঁড়িয়েছিল। ১০ মিনিটে নেপালেরও একটা গোলের চেষ্টা আটকে যায় ক্রসবারে। বক্সের বাইরে থেকে আমিশা কারকির একটা শট গিয়ে লাগে ওই পোস্টে। বাংলাদেশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায় তাতে।
ম্যাচের ১৮ মিনিটে মনিকা চাকমাকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন অমৃতা জইশি। মিনিট চারেক পর দূরপাল্লার শটে গোলের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে মাসুরা পারভীনের শট সহজেই আয়ত্বে নেন নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা।
২৭ মিনিটে আমিশা কারকি সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশ রক্ষণ বিষয়টা সামলে নেয় ভালোভাবেই। ৩৩ মিনিটে নেপাল বক্সের বাইরে সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। তবে সফরকারীরা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। মারিয়া মান্দার শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায় বাইরে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নেপাল আবারও সুযোগ পায়, তবে এবার রাইট উইংয়ে সাবিতার ভুলে নেপাল গোল পায়নি, তিনি পা পিছলে পড়ে গেলে শামসুন্নাহার সিনিয়র বলের দখল নিয়ে নেন।
প্রথমার্ধে সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি কোনো দলই। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় শুরুর ৪৫ মিনিট। সব রোমাঞ্চ তোলা থাকে পরের ৪৫ মিনিটের জন্য।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছিল। ৫২ মিনিটে সফরকারীদের দারুণ বিল্ড আপ শেষে সাবিতা রানা মাগারের ভুলে বল গিয়ে পড়ে মনিকা চাকমার পায়ে। তার গোলে ডিফেন্ডিঙ চ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে যায়।
তবে সে লিড বাংলাদেশ ধরে রাখতে পারেনি। স্বাগতিক নেপাল জবাব দেয় ৫৫ মিনিটে। প্রীতি রাইয়ের পাস আটকাতে ভুল করেন মাসুরা পারভীন। বল গিয়ে পড়ে আমিশা কারকির পায়ে। গোলরক্ষককে একা পেয়ে বলটা সহজেই জালে জড়ান নেপালি এই ফরোয়ার্ড।
এরপর থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সফলতার খুব কাছাকাছি সবচেয়ে বেশি গেছে নেপালই। সাবিত্রা ভাণ্ডারী, আমিশা কারকিদের একাধিক শট ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে রাখেন রুপনা চাকমা।
৭৬ মিনিটে মারিয়া মান্দার দারুণ এক শট লাফিয়ে উঠে এক হাতে সেভ দেন নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা। তবে ৮০ মিনিটে আর পেরে ওঠেননি নেপাল গোলরক্ষক। সে গোলে একাধিক ভুল করেছে স্বাগতিকরা। শামসুন্নাহার সিনিয়রের থ্রো ইন থেকে ঋতুপর্ণা চাকমাকে মার্ক করার দায়িত্ব ছিল বদলি খেলোয়াড় আনিতা বেসনেতের। তিনি তা পারেননি, অনেকটা ফাঁকায় থেকে শট নেন ঋতুপর্ণা। তার শট আনজিলার হাতে লেগে জালে। মুহূর্তেই দশরথ রঙ্গশালায় হাজির ১৩০০০ দর্শক স্তব্ধ হয়ে যান রীতিমতো।
শেষ বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের শিরোপা উৎসব। ওদিকে নেপাল টানা ষষ্ঠ বারের মতো নারী সাফের ফাইনালে পোড়ে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়।

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নেমেছিল বাংলাদেশ। মনিকা চাকমা আর ঋতুপর্ণা চাকমার গোলে তা করে দেখিয়েছে কোচ পিটার বাটলারের শিষ্যরা। স্বাগতিক নেপালকে ফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়ে জিতেছে সাফ শিরোপা।
দ্বিতীয় মিনিটে পূজা রানার ভুলে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন তহুরা খাতুন। তার শট ক্রসবারে প্রতিহত হয়। ফিরতি চেষ্টায় তার হেডার ঠেকান নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা। এর পরের মিনিটেই ছোট একটা ভুল করে বসেছিলেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক রুপনা চাকমাও। যদিও সাবিত্রা ভাণ্ডারি সে সুযোগটা কাজে লাগানোর আগেই সামলে নেন রুপনা। দুটো ভুলই জানান দিচ্ছিল, ফাইনালের স্নায়ুচাপ দুই দলেই ভালোভাবে জেঁকে বসেছে।
ক্রসবার শুরুর দিকে বাংলাদেশের গোলের পথ আগলে দাঁড়িয়েছিল। ১০ মিনিটে নেপালেরও একটা গোলের চেষ্টা আটকে যায় ক্রসবারে। বক্সের বাইরে থেকে আমিশা কারকির একটা শট গিয়ে লাগে ওই পোস্টে। বাংলাদেশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায় তাতে।
ম্যাচের ১৮ মিনিটে মনিকা চাকমাকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন অমৃতা জইশি। মিনিট চারেক পর দূরপাল্লার শটে গোলের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে মাসুরা পারভীনের শট সহজেই আয়ত্বে নেন নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা।
২৭ মিনিটে আমিশা কারকি সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশ রক্ষণ বিষয়টা সামলে নেয় ভালোভাবেই। ৩৩ মিনিটে নেপাল বক্সের বাইরে সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। তবে সফরকারীরা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। মারিয়া মান্দার শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায় বাইরে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নেপাল আবারও সুযোগ পায়, তবে এবার রাইট উইংয়ে সাবিতার ভুলে নেপাল গোল পায়নি, তিনি পা পিছলে পড়ে গেলে শামসুন্নাহার সিনিয়র বলের দখল নিয়ে নেন।
প্রথমার্ধে সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি কোনো দলই। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় শুরুর ৪৫ মিনিট। সব রোমাঞ্চ তোলা থাকে পরের ৪৫ মিনিটের জন্য।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছিল। ৫২ মিনিটে সফরকারীদের দারুণ বিল্ড আপ শেষে সাবিতা রানা মাগারের ভুলে বল গিয়ে পড়ে মনিকা চাকমার পায়ে। তার গোলে ডিফেন্ডিঙ চ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে যায়।
তবে সে লিড বাংলাদেশ ধরে রাখতে পারেনি। স্বাগতিক নেপাল জবাব দেয় ৫৫ মিনিটে। প্রীতি রাইয়ের পাস আটকাতে ভুল করেন মাসুরা পারভীন। বল গিয়ে পড়ে আমিশা কারকির পায়ে। গোলরক্ষককে একা পেয়ে বলটা সহজেই জালে জড়ান নেপালি এই ফরোয়ার্ড।
এরপর থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সফলতার খুব কাছাকাছি সবচেয়ে বেশি গেছে নেপালই। সাবিত্রা ভাণ্ডারী, আমিশা কারকিদের একাধিক শট ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে রাখেন রুপনা চাকমা।
৭৬ মিনিটে মারিয়া মান্দার দারুণ এক শট লাফিয়ে উঠে এক হাতে সেভ দেন নেপাল গোলরক্ষক আনজিলা। তবে ৮০ মিনিটে আর পেরে ওঠেননি নেপাল গোলরক্ষক। সে গোলে একাধিক ভুল করেছে স্বাগতিকরা। শামসুন্নাহার সিনিয়রের থ্রো ইন থেকে ঋতুপর্ণা চাকমাকে মার্ক করার দায়িত্ব ছিল বদলি খেলোয়াড় আনিতা বেসনেতের। তিনি তা পারেননি, অনেকটা ফাঁকায় থেকে শট নেন ঋতুপর্ণা। তার শট আনজিলার হাতে লেগে জালে। মুহূর্তেই দশরথ রঙ্গশালায় হাজির ১৩০০০ দর্শক স্তব্ধ হয়ে যান রীতিমতো।
শেষ বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের শিরোপা উৎসব। ওদিকে নেপাল টানা ষষ্ঠ বারের মতো নারী সাফের ফাইনালে পোড়ে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারী সংকেত
৩ ঘণ্টা আগে
সফরসূচি অনুযায়ী, শার্শা থেকে ফিরে যশোর সার্কিট হাউসে স্বল্প বিরতির পর বিকেলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
৩ ঘণ্টা আগে
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি (১৯১৬-১৯২১), কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ও পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূ
৩ ঘণ্টা আগে
এ কে ফজলুল হকের ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। প্রস্তাবটি আজও ঐতিহাসিকদের মধ্যে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি তার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফ
৪ ঘণ্টা আগে