
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ‘বঞ্চিত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো’ কর্মকর্তাদের মধ্যে ৭৬৪ জনকে পদোন্নতি অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মধ্যে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে ১১৯ জনকে। এসব কর্মকর্তা ভূতাপেক্ষা সুযোগ-সুবিধাসহ এই পদোন্নতি পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মোখলেস উর রহমান লিখেছেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য গঠিত ‘বঞ্চনা নিরসন কমিটির (বনিক)’ প্রতিবেদনের আলোকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির কাছে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল। রাষ্ট্রপতি সেই সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।
কর্মকর্তাদের মধ্যে সচিব পদে ১১৯ জন ছাড়াও গ্রেড-১ পদে ৪১ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৫২৮ জন, যুগ্মসচিব পদে ৭২ জন ও উপসচিব পদে চারজনের পদোন্নতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন সচিব লিখেছেন, পদভিত্তিক আলাদা আলাদা পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) জারি করে দ্রুত বকেয়া টাকা প্রাপ্তির জিও জারি করা হবে।
২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত ‘বঞ্চিত ও বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া’ সচিব থেকে শুরু করে উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে আনা বা তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা দিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেয় সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানকে দায়িত্ব দিয়ে কমিটিকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘বঞ্চিত’ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতিকার পেতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করার সময় ছিল কমিটির কাছে। পরে আরও তিন দিন সময় বাড়নো হয়।
ওই সময়ের মধ্যে কমিটি এক হাজার ৫৪০টির মতো আবেদন পায়। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি। এবার সেই সুপারিশ অনুমোদন করলেন রাষ্ট্রপতি।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ‘বঞ্চিত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো’ কর্মকর্তাদের মধ্যে ৭৬৪ জনকে পদোন্নতি অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মধ্যে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে ১১৯ জনকে। এসব কর্মকর্তা ভূতাপেক্ষা সুযোগ-সুবিধাসহ এই পদোন্নতি পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মোখলেস উর রহমান লিখেছেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য গঠিত ‘বঞ্চনা নিরসন কমিটির (বনিক)’ প্রতিবেদনের আলোকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির কাছে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল। রাষ্ট্রপতি সেই সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।
কর্মকর্তাদের মধ্যে সচিব পদে ১১৯ জন ছাড়াও গ্রেড-১ পদে ৪১ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৫২৮ জন, যুগ্মসচিব পদে ৭২ জন ও উপসচিব পদে চারজনের পদোন্নতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন সচিব লিখেছেন, পদভিত্তিক আলাদা আলাদা পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) জারি করে দ্রুত বকেয়া টাকা প্রাপ্তির জিও জারি করা হবে।
২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত ‘বঞ্চিত ও বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া’ সচিব থেকে শুরু করে উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে আনা বা তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা দিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেয় সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানকে দায়িত্ব দিয়ে কমিটিকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘বঞ্চিত’ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতিকার পেতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করার সময় ছিল কমিটির কাছে। পরে আরও তিন দিন সময় বাড়নো হয়।
ওই সময়ের মধ্যে কমিটি এক হাজার ৫৪০টির মতো আবেদন পায়। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি। এবার সেই সুপারিশ অনুমোদন করলেন রাষ্ট্রপতি।

আদালত রায়ে বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতের রায় সবার জন্য বাধ্যতামূলক। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিজিবি জানিয়েছে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে পদ্মা নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় মো. ওয়াসিম (২৩) নামের একজন সাঁতরে বাঁচলেও ১১ জন স্রোতে ভেসে যান।
১৭ ঘণ্টা আগে
আমোদেইর তিন দফা প্রস্তাবের প্রথমটিতে বলা হয়েছে— শীর্ষস্থানীয় বা ‘ফ্রন্টিয়ার’ এআই কোম্পানিগুলোর ভেতরে স্থায়ীভাবে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মূল্যায়নকারী রাখা প্রয়োজন। কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় প্রবেশাধিকার দিয়ে মূলত তাদের কোম্পানির নিরাপত্তাব্যবস্থা যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ দমনে বর্তমান সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ কারণে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে