
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব আলাদা করার প্রস্তাব দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তার মতে, রাজস্ব নীতি নির্ধারণের জায়গাটি আমলাতন্ত্রমুক্ত করে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত’বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের বড় সংকট নীতিগত পর্যায়েই রয়েছে। তাই এনবিআরের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পৃথক করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
করজাল সম্প্রসারণ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। মুদি দোকান বা কাঁচাবাজার পর্যন্ত করের আওতা বিস্তারের আশঙ্কা থাকলেও সরকার করের হার বাড়ায়নি বলে দাবি করেন সাকি। তার ভাষ্য, করের ভিত্তি যৌক্তিকভাবে বিস্তৃত করা হয়েছে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত হারে কর আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
কর ফাঁকি রোধে এনবিআরের অটোমেশন কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্ব দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কর জালিয়াতি, কর রেয়াত ও কর ফাঁকির কারণেই সরকার প্রত্যাশিত রাজস্ব পায় না। এ পরিস্থিতি বদলাতে অটোমেশনই কার্যকর সমাধান।
প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, সেটিকে স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন সাকি। তবে সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য, চলতি অর্থবছরের শেষ চার মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এনবিআরের রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত’ উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংকটাপন্ন অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে প্রসারণশীল বাজেট দিয়েছে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংকোচনমূলক বাজেট নয়, বরং সম্প্রসারণমূলক বাজেটই অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।
ঋণনির্ভরতার সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশই ঘাটতি বাজেট দেয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি ঋণের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা। আগামী অর্থবছরে ঋণের অনুপাত আগের বছরের তুলনায় কমানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিগত সরকারের সময়ে অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব আলাদা করার প্রস্তাব দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তার মতে, রাজস্ব নীতি নির্ধারণের জায়গাটি আমলাতন্ত্রমুক্ত করে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত’বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের বড় সংকট নীতিগত পর্যায়েই রয়েছে। তাই এনবিআরের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পৃথক করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
করজাল সম্প্রসারণ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। মুদি দোকান বা কাঁচাবাজার পর্যন্ত করের আওতা বিস্তারের আশঙ্কা থাকলেও সরকার করের হার বাড়ায়নি বলে দাবি করেন সাকি। তার ভাষ্য, করের ভিত্তি যৌক্তিকভাবে বিস্তৃত করা হয়েছে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত হারে কর আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
কর ফাঁকি রোধে এনবিআরের অটোমেশন কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্ব দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কর জালিয়াতি, কর রেয়াত ও কর ফাঁকির কারণেই সরকার প্রত্যাশিত রাজস্ব পায় না। এ পরিস্থিতি বদলাতে অটোমেশনই কার্যকর সমাধান।
প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, সেটিকে স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন সাকি। তবে সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য, চলতি অর্থবছরের শেষ চার মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এনবিআরের রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত’ উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংকটাপন্ন অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে প্রসারণশীল বাজেট দিয়েছে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংকোচনমূলক বাজেট নয়, বরং সম্প্রসারণমূলক বাজেটই অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।
ঋণনির্ভরতার সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশই ঘাটতি বাজেট দেয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি ঋণের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা। আগামী অর্থবছরে ঋণের অনুপাত আগের বছরের তুলনায় কমানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিগত সরকারের সময়ে অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

বিরোধী দলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিরোধী দল মাঝে মাঝেই সংস্কারের কথা বলেন। জুলাই সনদের কথা বলেন। ওনারা শুধু সেই সংস্কারের কথা বলেন, যেই সংস্কার ওনাদেরকে ক্ষমতার ভাগ দেবে। ওনারা স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে একদিনও আজ পর্যন্ত কথা বলেননি”
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬১৯ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২১ জুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে পদটি শূন্য ছিল।
৬ ঘণ্টা আগে