
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বীর শহিদের আত্মত্যাগে আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের এই বীর শহিদদের কাছে ঋণ আছে। যে সুযোগ ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগে তৈরি হয়েছে, তা যেন লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হয়।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকায় সংসদ ভবনস্থ এল ডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন। এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে, তা কেবলমাত্র সরকারের উদ্যোগ নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার ফল। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের তাগিদ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে এসেছে, ছাত্রসমাজের কাছ থেকে এসেছে এবং সর্বোপরি দেশের সব স্তরের মানুষের কাছ থেকে এসেছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করার কথা উল্লেখ করে আলী রীয়াজ আরো বলেন, ‘আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি জাতীয় সনদে উপনীত হতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা কোনও নিপীড়নের শিকার না হয়।’
আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরও উপস্থিত ছিলেন হামিদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম খান, এহসান মাহবুব যোবায়ের, সাইফুল আলম খান মিলন, মতিউর রহমান আকন্দ, নুরুল ইসলাম বুলবুল, শিশির মোহাম্মদ মনির ও সরকার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। ইতোমধ্যে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৫টি দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ এ পর্যন্ত ১৭টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের আলোচনা শেষ করেছে কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বীর শহিদের আত্মত্যাগে আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের এই বীর শহিদদের কাছে ঋণ আছে। যে সুযোগ ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগে তৈরি হয়েছে, তা যেন লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হয়।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকায় সংসদ ভবনস্থ এল ডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন। এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে, তা কেবলমাত্র সরকারের উদ্যোগ নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার ফল। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের তাগিদ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে এসেছে, ছাত্রসমাজের কাছ থেকে এসেছে এবং সর্বোপরি দেশের সব স্তরের মানুষের কাছ থেকে এসেছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করার কথা উল্লেখ করে আলী রীয়াজ আরো বলেন, ‘আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি জাতীয় সনদে উপনীত হতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা কোনও নিপীড়নের শিকার না হয়।’
আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরও উপস্থিত ছিলেন হামিদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম খান, এহসান মাহবুব যোবায়ের, সাইফুল আলম খান মিলন, মতিউর রহমান আকন্দ, নুরুল ইসলাম বুলবুল, শিশির মোহাম্মদ মনির ও সরকার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। ইতোমধ্যে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৫টি দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ এ পর্যন্ত ১৭টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের আলোচনা শেষ করেছে কমিশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হব
১১ ঘণ্টা আগে
শিল্প খাতে গ্যাস-সংকট মোকাবিলায় নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আকস্মিক বা সাময়িক গ্যাস-সংকটের কারণে শিল্প খাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে জন্য দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিন
১১ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের প্রশ্ন ছিল, সেচ কাজে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের পরিবর্তে কৃষকদের বিনামূল্যে সৌরবিদ্যুৎ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না। জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘জ্বি, বর্তমান সরকারের এ পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে যেখানে ডিজেল দ্বারা পানির পাম্প চালিত হয়, সেখানে সবগুলোকে পর্যায়ক্রমে ইনশাল্লাহ আগামী পাঁচ
১২ ঘণ্টা আগে
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আহত কর্মকর্তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে