
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলন হলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি পদ ছাড়তে রাজি হননি বলে জানিয়েছেন। বলেছেন, চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি তার পদে অধিষ্ঠিত থাকতে অনড় ছিলেন।
রাষ্ট্রপতির এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল সংস্কারের অভিপ্রায় নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান ঘটলেও রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে সাবেক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, যা জনগণের অভিপ্রায়ের অবস্থানের বিরোধী।
শেষ পর্যন্ত জুলাই অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রব্যবস্থা বদল না হওয়ায় রাষ্ট্রপতির এই ‘সাফল্যে’ জনগণের বিজয় হয়েছে না পরাজয় হয়েছে— এমন প্রশ্ন রেখেছেন ফরহাদ মজহার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়ের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন ফরহাদ মজহার। তার এই স্ট্যাটাসটি মূলত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়া, যা সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক কালের কণ্ঠে ছাপা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে তিনি মূলত তিনটি কথা বলেছেন— (১) ৫ আগস্টের গণভ্যুত্থানের পর কিছু শক্তি অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ চ্যালেঞ্জ করেছিল; (২) তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন; এবং (৩) রাজনৈতিক দলগুলোর একটি অংশ সেই ধারাবাহিকতাকে সম্মান জানিয়েছে। এখানেই মূল রাজনৈতিক প্রশ্ন তৈরি হয়।’
প্রশ্নগুলো তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের বিস্ফোরিত প্রত্যাখ্যান। মানুষ প্রাণ দিয়েছে, দমন সহ্য করেছে এবং শেষ পর্যন্ত একটি সরকার পতন হয়েছে। সাধারণ মানুষের চোখে এটি ছিল ‘ব্যবস্থা বদলে’র মুহূর্ত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে— জনগণের আত্মত্যাগ কি শুধু সরকার বদলের জন্য ছিল? নাকি ছিল নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করবার ইচ্ছা?’
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ধরে রাখার অবস্থানের কথা তুলে ধরে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি শুরু থেকেই একটি অবস্থান নিয়েছিলেন— পুরনো সংবিধানের ধারাবাহিকতা ভাঙা যাবে না। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থান হলেও পুরনো ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাই অপরিবর্তিত থাকবে এবং তার বৈধতা প্রশ্নাতীত থাকবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, তাকে সরানোর চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সফলভাবে দায়িত্বে বহাল থেকেছেন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রেখেছেন। এর অর্থ দাঁড়ায়— যে মুহূর্তে গণআন্দোলনের ফলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তখন তিনি নিজেকে পুরানা সংবিধান বহাল রাখার ধারাবাহিকতার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।’
রাষ্ট্রপতির অবস্থান রাজনৈতিক সাহিত্যে ‘সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব’ হিসেবে গণ্য হয় উল্লেখ করে এই চিন্তক আরও লিখেছেন, ‘কথাটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ভাষা। এর সহজ অর্থ— জনগণ যদি একটি ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করে, কিন্তু সেই ব্যবস্থার আইনি কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে আবার নতুন করে ক্ষমতা সাজানো হয়, তাহলে তা বিপ্লবের নৈতিক শক্তিকে সীমিত করে।’
রাষ্ট্রপতি তার সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তাকে অপসারণের জন্য যখন বিক্ষোভ চলছিল তখন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে শতভাগ সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি। সশস্ত্র বাহিনীও তাকে সমর্থন দিয়েছে ওই সময়।
এ প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, “রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তার পাশে ছিলেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি আমাদের দিয়েছেন— ‘তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাকে সর্বোচ্চ সমর্থন দিয়েছে।’ অর্থাৎ আন্দোলনের পরে ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও তিন বাহিনীর প্রধান তাকে সমর্থন দিয়েছে।”
‘এটিকে কেউ দেখবেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হিসেবে; আবার কেউ বলবেন— এটি ছিল জনগণের প্রত্যাশিত মৌলিক রূপান্তরের স্পষ্ট বিরোধিতা এবং ঘটনাঘটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে পুরনো লুটেরা ও চরম গণবিরোধী ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা।’
রাষ্ট্রপতির সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার অবস্থান জনগণের অভিপ্রায়ের বিরোধী ছিল উল্লেখ করে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘সরল ভাষায় বিষয়টি এমন— মানুষ যদি একটি বাড়ি ভেঙে নতুন করে গড়তে চায়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলে— দেয়ালগুলো ঠিকই আছে, শুধু রং বদলান— তাহলে সেটি কি পুরা বদল? গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল নতুন গঠনতন্ত্র, নতুন রাষ্ট্রের ভিত্তি নির্মাণ। কিন্তু রাষ্ট্রপতির অবস্থান ছিল জনগণের অভিপ্রায়ের বিরোধী— পুরনো সংবিধানের মধ্যেই সমাধান হবে। তিনি এটিকে কৃতিত্ব হিসেবে দেখছেন— পুরানা সংবিধান টিকিয়ে রাখা গেছে, রাষ্ট্র ভেঙে পড়েনি।’
রাষ্ট্রপতি জনগণের আন্দোলনকে পরোক্ষভাবে ‘অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা’ হিসেবে দেখেছেন এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতাকে ‘রক্ষাকবচ’ হিসেবে তুলে ধরেছেন বলে মনে করছেন ফরহাদ মজহার।
রাষ্ট্রপতির এমন অবস্থানে যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে সে প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘গণসার্বভৌমত্ব মানে জনগণের ইচ্ছা সর্বোচ্চ। কিন্তু সাংবিধানিক রাষ্ট্র বলে— ইচ্ছা আইন মেনে চলবে। যখন এই দুইয়ের সংঘাত হয়, তখন যিনি আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন, তিনি বলবেন তিনি স্থিতিশীলতা রক্ষা করছেন; আর যিনি জনগণের ইচ্ছাকে অগ্রাধিকার দেন, তিনি বলবেন আইনকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
রাষ্ট্রপতির অবস্থানে শেষ পর্যন্ত দেশের জনগণের জয় নাকি পরাজয় হয়েছে সে প্রশ্ন তুলে এই চিন্তক লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ সত্যটি হলো— ৫ আগস্ট মানুষ রাস্তায় নেমে একটি সরকার সরিয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রব্যবস্থা বদলায়নি। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, সেটাই তার সাফল্য। এখন প্রশ্ন— এটি কি জনগণের বিজয়? নাকি পরাজয়?’

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলন হলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি পদ ছাড়তে রাজি হননি বলে জানিয়েছেন। বলেছেন, চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি তার পদে অধিষ্ঠিত থাকতে অনড় ছিলেন।
রাষ্ট্রপতির এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল সংস্কারের অভিপ্রায় নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান ঘটলেও রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে সাবেক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, যা জনগণের অভিপ্রায়ের অবস্থানের বিরোধী।
শেষ পর্যন্ত জুলাই অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রব্যবস্থা বদল না হওয়ায় রাষ্ট্রপতির এই ‘সাফল্যে’ জনগণের বিজয় হয়েছে না পরাজয় হয়েছে— এমন প্রশ্ন রেখেছেন ফরহাদ মজহার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়ের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন ফরহাদ মজহার। তার এই স্ট্যাটাসটি মূলত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়া, যা সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক কালের কণ্ঠে ছাপা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে তিনি মূলত তিনটি কথা বলেছেন— (১) ৫ আগস্টের গণভ্যুত্থানের পর কিছু শক্তি অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ চ্যালেঞ্জ করেছিল; (২) তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছেন; এবং (৩) রাজনৈতিক দলগুলোর একটি অংশ সেই ধারাবাহিকতাকে সম্মান জানিয়েছে। এখানেই মূল রাজনৈতিক প্রশ্ন তৈরি হয়।’
প্রশ্নগুলো তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের বিস্ফোরিত প্রত্যাখ্যান। মানুষ প্রাণ দিয়েছে, দমন সহ্য করেছে এবং শেষ পর্যন্ত একটি সরকার পতন হয়েছে। সাধারণ মানুষের চোখে এটি ছিল ‘ব্যবস্থা বদলে’র মুহূর্ত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে— জনগণের আত্মত্যাগ কি শুধু সরকার বদলের জন্য ছিল? নাকি ছিল নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করবার ইচ্ছা?’
রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ধরে রাখার অবস্থানের কথা তুলে ধরে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি শুরু থেকেই একটি অবস্থান নিয়েছিলেন— পুরনো সংবিধানের ধারাবাহিকতা ভাঙা যাবে না। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থান হলেও পুরনো ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাই অপরিবর্তিত থাকবে এবং তার বৈধতা প্রশ্নাতীত থাকবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, তাকে সরানোর চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সফলভাবে দায়িত্বে বহাল থেকেছেন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রেখেছেন। এর অর্থ দাঁড়ায়— যে মুহূর্তে গণআন্দোলনের ফলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তখন তিনি নিজেকে পুরানা সংবিধান বহাল রাখার ধারাবাহিকতার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।’
রাষ্ট্রপতির অবস্থান রাজনৈতিক সাহিত্যে ‘সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব’ হিসেবে গণ্য হয় উল্লেখ করে এই চিন্তক আরও লিখেছেন, ‘কথাটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ভাষা। এর সহজ অর্থ— জনগণ যদি একটি ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করে, কিন্তু সেই ব্যবস্থার আইনি কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে আবার নতুন করে ক্ষমতা সাজানো হয়, তাহলে তা বিপ্লবের নৈতিক শক্তিকে সীমিত করে।’
রাষ্ট্রপতি তার সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তাকে অপসারণের জন্য যখন বিক্ষোভ চলছিল তখন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে শতভাগ সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি। সশস্ত্র বাহিনীও তাকে সমর্থন দিয়েছে ওই সময়।
এ প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, “রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তার পাশে ছিলেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি আমাদের দিয়েছেন— ‘তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাকে সর্বোচ্চ সমর্থন দিয়েছে।’ অর্থাৎ আন্দোলনের পরে ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও তিন বাহিনীর প্রধান তাকে সমর্থন দিয়েছে।”
‘এটিকে কেউ দেখবেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হিসেবে; আবার কেউ বলবেন— এটি ছিল জনগণের প্রত্যাশিত মৌলিক রূপান্তরের স্পষ্ট বিরোধিতা এবং ঘটনাঘটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে পুরনো লুটেরা ও চরম গণবিরোধী ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা।’
রাষ্ট্রপতির সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার অবস্থান জনগণের অভিপ্রায়ের বিরোধী ছিল উল্লেখ করে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘সরল ভাষায় বিষয়টি এমন— মানুষ যদি একটি বাড়ি ভেঙে নতুন করে গড়তে চায়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলে— দেয়ালগুলো ঠিকই আছে, শুধু রং বদলান— তাহলে সেটি কি পুরা বদল? গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল নতুন গঠনতন্ত্র, নতুন রাষ্ট্রের ভিত্তি নির্মাণ। কিন্তু রাষ্ট্রপতির অবস্থান ছিল জনগণের অভিপ্রায়ের বিরোধী— পুরনো সংবিধানের মধ্যেই সমাধান হবে। তিনি এটিকে কৃতিত্ব হিসেবে দেখছেন— পুরানা সংবিধান টিকিয়ে রাখা গেছে, রাষ্ট্র ভেঙে পড়েনি।’
রাষ্ট্রপতি জনগণের আন্দোলনকে পরোক্ষভাবে ‘অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা’ হিসেবে দেখেছেন এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতাকে ‘রক্ষাকবচ’ হিসেবে তুলে ধরেছেন বলে মনে করছেন ফরহাদ মজহার।
রাষ্ট্রপতির এমন অবস্থানে যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে সে প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘গণসার্বভৌমত্ব মানে জনগণের ইচ্ছা সর্বোচ্চ। কিন্তু সাংবিধানিক রাষ্ট্র বলে— ইচ্ছা আইন মেনে চলবে। যখন এই দুইয়ের সংঘাত হয়, তখন যিনি আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন, তিনি বলবেন তিনি স্থিতিশীলতা রক্ষা করছেন; আর যিনি জনগণের ইচ্ছাকে অগ্রাধিকার দেন, তিনি বলবেন আইনকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
রাষ্ট্রপতির অবস্থানে শেষ পর্যন্ত দেশের জনগণের জয় নাকি পরাজয় হয়েছে সে প্রশ্ন তুলে এই চিন্তক লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ সত্যটি হলো— ৫ আগস্ট মানুষ রাস্তায় নেমে একটি সরকার সরিয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রব্যবস্থা বদলায়নি। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, সেটাই তার সাফল্য। এখন প্রশ্ন— এটি কি জনগণের বিজয়? নাকি পরাজয়?’

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে শিক্ষামন্ত্রী যতদিন তার পদ অলংকৃত করেন অথবা যতদিন তাকে নিজের একান্ত সচিব পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন, ততদিন পর্যন্ত তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব পদ
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রেস সচিব হিসেবে দুই বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন সরওয়ার আলম। সচিব পদমর্যাদায় তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে সরিয়ে দেয়। এখন নতুন করে আবার তিনি নিয়োগ পেলেন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা ২৯৯টি আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করেছিলাম।
৯ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তাদের সেখানে থাকার ও কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি ফের দেশটিতে শ্রম ভিসা চালুর অনুরোধ জানান।
৯ ঘণ্টা আগে