
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের গণহত্যাকারীরা মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করা পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
শফিকুল আলম লেখেন, গণহত্যা সমর্থনকারী আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভ্রান্তিতে আছেন যে, দেশ নির্বাচনের দিকে ফিরে গেলে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করলে এবং খুন ও গুমের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এটি সম্ভব না। পাশাপাশি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর সহযোগীদের বিচারও হবে।
এই প্রেস সচিব আরও লেখেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন বিদেশি কূটনীতিক এবং কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। তারা খুব কমই সমঝোতার বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধ স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতার আহ্বান জানানো যায়? বরং, তারা সংস্কার এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করার বিষয়ে বেশি সমর্থন জানিয়েছেন।
শফিকুল আলম লেখেন, বছর বছর আওয়ামী লাগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে। তবে এবার বর্তমান প্রজন্ম জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ হয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরোনো স্মৃতিকে সতেজ করছে। আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড এখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিকেও নাড়া দিয়েছে। বিশ্ব তাদের অপরাধের জন্য জেগে উঠেছে। তবুও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা চুপ করে নেই। তবে মনে হচ্ছে বিশ্ব এগিয়ে গেছে এবং

আওয়ামী লীগের গণহত্যাকারীরা মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করা পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
শফিকুল আলম লেখেন, গণহত্যা সমর্থনকারী আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভ্রান্তিতে আছেন যে, দেশ নির্বাচনের দিকে ফিরে গেলে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করলে এবং খুন ও গুমের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এটি সম্ভব না। পাশাপাশি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর সহযোগীদের বিচারও হবে।
এই প্রেস সচিব আরও লেখেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন বিদেশি কূটনীতিক এবং কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। তারা খুব কমই সমঝোতার বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধ স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতার আহ্বান জানানো যায়? বরং, তারা সংস্কার এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করার বিষয়ে বেশি সমর্থন জানিয়েছেন।
শফিকুল আলম লেখেন, বছর বছর আওয়ামী লাগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে। তবে এবার বর্তমান প্রজন্ম জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ হয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরোনো স্মৃতিকে সতেজ করছে। আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড এখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিকেও নাড়া দিয়েছে। বিশ্ব তাদের অপরাধের জন্য জেগে উঠেছে। তবুও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা চুপ করে নেই। তবে মনে হচ্ছে বিশ্ব এগিয়ে গেছে এবং

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
এ মামলার বাদী ২০ বছর বয়সি এক তরুণ, যার সংক্ষেপিত নাম কেজিএম৷ তিনি ছয় বছর বয়সে ইউটিউব ও ৯ বছর বয়সে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার শুরু করেছিলেন৷
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকায় এই রেডি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে