
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশে ফেরার পরবর্তী দুই দিনের বিস্তারিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে পারেন তিনি।
দলটির নীতি-নির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সংলগ্ন জনসভাস্থলে উপস্থিত হবেন এবং সেখানে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক ভাষণ দেবেন।
জনসভা শেষে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। দীর্ঘ সময় পর মায়ের শয্যাপাশে কিছু সময় কাটিয়ে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে বিশ্রাম নেবেন।
কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকালে তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হওয়ার পর দীর্ঘ ১৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন তারেক রহমান। কারাগারে থাকাকালীন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে যান। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৭ বছর সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর অবশেষে তিনি প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরছেন। তার এই আগমনকে ঘিরে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্য সময় সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে রওনা দেবেন।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশে ফেরার পরবর্তী দুই দিনের বিস্তারিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে পারেন তিনি।
দলটির নীতি-নির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সংলগ্ন জনসভাস্থলে উপস্থিত হবেন এবং সেখানে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক ভাষণ দেবেন।
জনসভা শেষে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। দীর্ঘ সময় পর মায়ের শয্যাপাশে কিছু সময় কাটিয়ে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে বিশ্রাম নেবেন।
কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকালে তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হওয়ার পর দীর্ঘ ১৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন তারেক রহমান। কারাগারে থাকাকালীন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে যান। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৭ বছর সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর অবশেষে তিনি প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরছেন। তার এই আগমনকে ঘিরে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্য সময় সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে রওনা দেবেন।

সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠেয় গণভোটে ভোট দেবেন রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ খুব ভালো। উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
৯ ঘণ্টা আগে
ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
৯ ঘণ্টা আগে