
ঢাবি প্রতিনিধি

ডাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা, ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতির
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। সোমবার (১৬ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে চলমান অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, “গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছয়টি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রমাণিত হয়, একটি গোষ্ঠী ডাকসু নির্বাচন ঠেকাতে চায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে আতঙ্কিত করতে তারা এসব ঘটাচ্ছে।”
বিন ইয়ামিন আরও বলেন, “পাঁচ আগস্টের ঘটনার পর প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিলেও নির্বাচন নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করেনি প্রশাসন।”
তিনি অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনসহ নানা সংকট রয়েছে। ছাত্র সংসদ না থাকায় এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কথা বলার সুযোগ নেই। ডাকসু থাকলে ২৬৯ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারতেন।”
ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা। “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নেই”—এমন দাবিকে তিনি ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দেন।
তিনি আরও বলেন, “যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তারাই আতঙ্ক সৃষ্টি করে আগের মতো সিন্ডিকেট কায়দায় ক্ষমতা দখলে রাখতে চায়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিহত করবে।”
প্রসঙ্গত, রোববার (১৫ জুন) থেকে ডাকসু নির্বাচন ও তফসিল ঘোষণার দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

ডাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা, ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতির
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। সোমবার (১৬ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে চলমান অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, “গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছয়টি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রমাণিত হয়, একটি গোষ্ঠী ডাকসু নির্বাচন ঠেকাতে চায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে আতঙ্কিত করতে তারা এসব ঘটাচ্ছে।”
বিন ইয়ামিন আরও বলেন, “পাঁচ আগস্টের ঘটনার পর প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিলেও নির্বাচন নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করেনি প্রশাসন।”
তিনি অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনসহ নানা সংকট রয়েছে। ছাত্র সংসদ না থাকায় এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কথা বলার সুযোগ নেই। ডাকসু থাকলে ২৬৯ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারতেন।”
ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা। “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নেই”—এমন দাবিকে তিনি ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দেন।
তিনি আরও বলেন, “যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তারাই আতঙ্ক সৃষ্টি করে আগের মতো সিন্ডিকেট কায়দায় ক্ষমতা দখলে রাখতে চায়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিহত করবে।”
প্রসঙ্গত, রোববার (১৫ জুন) থেকে ডাকসু নির্বাচন ও তফসিল ঘোষণার দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

‘পিলখানা ট্র্যাজেডি’ হিসেবে পরিচিত এ দিনটি জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডিতে হত্যাযজ্ঞের শিকার সেইসব সেনাসহ বেসামরিক নাগরিকদের স্মরণের দিন।
১ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতির এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল সংস্কারের অভিপ্রায় নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান ঘটলেও রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে সাবেক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, যা জনগণের অভিপ্রায়ের অবস্থানের বিরোধ
৯ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মনজুর মোর্শেদের যোগদানের তারিখ থেকে তার এ নিয়োগ কার্যকর হবেস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। তার নিয়োগের মেয়াদ হবে এক বছর।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৪০০ রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের জুন মাসে সংসদে দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছিল, ওই সময় পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৯৭টি।
১৩ ঘণ্টা আগে