
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পঞ্চম দিন আজ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার ২০টি আসনের জন্য দাখিল করা ২৩৮টি মনোনয়নপত্র পর্যালোচনায় বসছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সেগুনবাগিচা ও আগারগাঁওয়ের দুটি পৃথক স্থানে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা ও হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে বৈধ ও বাতিল হওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। আগামীকাল রোববার পর্যন্ত দেশজুড়ে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা মহানগরীর ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। বাকি আসনগুলোর বাছাই কার্যক্রম চলবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে এবং বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করে। ছুটির দিন হলেও গতকাল কমিশন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করেছে।
এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোট ২ হাজার ৫৬৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে যেসব মনোনয়নপত্র বাতিল হবে, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। এ ছাড়া ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। এরপর প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন (প্রস্তাবক, সমর্থক ও আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঋণখেলাপি হওয়া, আয়কর জটিলতা, হলফনামায় ভুল তথ্য বা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসংগতি থাকলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যারা সাবেক সংসদ সদস্য, তাদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পঞ্চম দিন আজ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার ২০টি আসনের জন্য দাখিল করা ২৩৮টি মনোনয়নপত্র পর্যালোচনায় বসছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সেগুনবাগিচা ও আগারগাঁওয়ের দুটি পৃথক স্থানে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা ও হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে বৈধ ও বাতিল হওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। আগামীকাল রোববার পর্যন্ত দেশজুড়ে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা মহানগরীর ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। বাকি আসনগুলোর বাছাই কার্যক্রম চলবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে এবং বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করে। ছুটির দিন হলেও গতকাল কমিশন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করেছে।
এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোট ২ হাজার ৫৬৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে যেসব মনোনয়নপত্র বাতিল হবে, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। এ ছাড়া ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। এরপর প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন (প্রস্তাবক, সমর্থক ও আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঋণখেলাপি হওয়া, আয়কর জটিলতা, হলফনামায় ভুল তথ্য বা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসংগতি থাকলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যারা সাবেক সংসদ সদস্য, তাদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে না।

ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশনে উপস্থিত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
১ ঘণ্টা আগে
প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডা. জারা জানিয়েছেন, তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিনিধিরা অন্তর্বর্তী সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে গিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে জনমত গঠন ও সহযোগিতা চাইবেন।
৪ ঘণ্টা আগে