মতবিনিময় সভায় উপস্থিত জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, আজ প্রমাণ করেছেন আপনারা সবাই একসঙ্গে আছেন। আপনাদের মূল্যবান সময় নিয়ে এখানে এসেছেন, আমাদের কথা শুনছেন এবং আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদের জানিয়েছেন। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সেগুলো আরও শুনবো, আরও জানবো।
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস থাকলেও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। তবে, এ দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণ ও সাবলীল জীবনযাপন করছে এবং কারো সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নেই। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ন
রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে— ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগায
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক এই জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। সিআরএফ এবং বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক ওপিনিয়ন স্টাডিজ যৌথভাবে এই জরিপ পরিচালনা করেছে।
দুই. ‘নারী চলবে নির্ভয়ে’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন : ১) নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস (পিক আওয়ারে), ২) গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ৩) দোতলা বাসে আলাদা কম্পার্টমেন্ট চালু, ৪) ইমার্জেন্সি কল নম্বর চালু করা হবে, ও ৫) নারীর নিরাপত্তায় ইমার্জেন্সি পোল স্থাপন করা হবে ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানান।
জামায়াত আমির বলেন, “চার দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যা-তা চালানো হয়েছে। আর এতে একটি দল ঝাঁপিয়ে পড়েছে, ‘তাইরে-নাইরে’ বলে গান শুরু করেছে। লজ্জা, ওদের চুনোপুঁটি তো গাইলো বটেই, বড় বড় মাথাগুলোও একই গান গাওয়া শুরু করে দিলো।”
তিনি আরও বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোনো জনপ্রতিনিধি অশুভ আচরণ তাহলে ফলাও করে প্রচার করুন সোজা হয়ে যাবে। কোনো প্রার্থী অশোভন আচরণ করলে, তা সমাজে প্রকাশ পেলে এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে যাবে। বেশি করলে পাশে জেলখানা দেখিয়ে বলেন সেখানে চলে যাবে।’
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালু করা হবে।
এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সংস্কার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সুশাসন নিশ্চিত, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় উন্নতি, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ প্রভৃতি।