১৯৮৯ সাল থেকে টানা ৩৫ বছর ইরানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী থাকা খামেনির প্রস্থানে দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শোকের মাঝেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, এই অভিযানে কেবল খামেনি পরিবারই নয়, বরং ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল তা ছিল 'শত্রুর মনস্তাত্ত্বিক লড়াই'; বরং তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজ দপ্তরেই অবস্থান করছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির দ্বিতীয় সুপ্রিম লিডার ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফের এই আকস্মিক মৃত
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার জবাবে ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রবাসী নাগরিকদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশি দূতাবাস। মধ্যপ্রাচ্যের ছয় দেশের এসব দূতাবাস সতর্কবার্তায় পরামর্শ দিয়ে বলেছে, এসব দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা যেন সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থ
আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের আদেশ জারি করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের অন্তত ২৪টি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানে কর্মরত রেড ক্রিসেন্ট। আন্তর্জাতিক এই মানবিক সহায়তা সংস্থার তথ্য বলছে, এসব হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০১। এ ছাড়া আরও অন্তত ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। আকাশপথ বন্ধ থাকায় এসব দেশে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।