
খান সুজন, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ছাত্রীদের উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিরব হোসেন (১৭) হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শ্রীনগর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারা হলো- উপজেলার বাঘড়া মাগডাল এলাকার মনু মিয়ার ছেলে রাজিব (১৭), আক্কাস আলী মৃধার ছেলে তাহসান (১৪), সুমির ছেলে রুদ্র (১৪) ও ভাগ্যকুল ইউনিয়নের পশ্চিম কামারগাঁও গ্রামের রাশেদের ছেলে শাওন (১৪)।
গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার কামারগাঁও চৌধুরীবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের সামনে নিরব হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হলে সন্ধ্যার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভাগ্যকুলের কামারগাঁও এলাকায় কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে কিশোরগ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য পার্শ্ববর্তী বাঘড়া ইউনিয়নের মাগডালের মো. অরেফিনের নেতৃত্বে কয়েকজন বখাটে স্কুল ছাত্রীদের উত্যক্ত করছিল। এ সময় স্কুলছাত্র নিরব হোসেন ও কাজী অহিদুল উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বখাটেরা দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
এর জেরে পরদিন (শুক্রবার) বিকেলে কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় একশ গজ দূরত্বে কামারগাঁও চৌধুরীবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাশে এসে বখাটে আরেফিনসহ কয়েকজন মিলে নিরব হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে খালে ফেলে দেয়।
স্থানীয়রা নিরবকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় নিরবের বন্ধু কাজী অহিদুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে প্রাণ বাঁচায়।
নিরব হোসেন চাঁদপুরের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
নিরবের বাবার মৃত্যুর তার মা ২ সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি কামারগাঁও চলে আসেন। নিরব কামারগাঁও কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করার পর লৌহজংয়ে তার খালার বাড়িতে চলে যায় এবং গত বছর লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করে। এ বছর কামারগাঁও মামার বাড়িতে থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে নিরবের খুনের ঘটনায় তার বিধবা মাসহ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ছাত্রীদের উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিরব হোসেন (১৭) হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শ্রীনগর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারা হলো- উপজেলার বাঘড়া মাগডাল এলাকার মনু মিয়ার ছেলে রাজিব (১৭), আক্কাস আলী মৃধার ছেলে তাহসান (১৪), সুমির ছেলে রুদ্র (১৪) ও ভাগ্যকুল ইউনিয়নের পশ্চিম কামারগাঁও গ্রামের রাশেদের ছেলে শাওন (১৪)।
গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার কামারগাঁও চৌধুরীবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের সামনে নিরব হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হলে সন্ধ্যার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভাগ্যকুলের কামারগাঁও এলাকায় কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে কিশোরগ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য পার্শ্ববর্তী বাঘড়া ইউনিয়নের মাগডালের মো. অরেফিনের নেতৃত্বে কয়েকজন বখাটে স্কুল ছাত্রীদের উত্যক্ত করছিল। এ সময় স্কুলছাত্র নিরব হোসেন ও কাজী অহিদুল উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বখাটেরা দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
এর জেরে পরদিন (শুক্রবার) বিকেলে কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় একশ গজ দূরত্বে কামারগাঁও চৌধুরীবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাশে এসে বখাটে আরেফিনসহ কয়েকজন মিলে নিরব হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে খালে ফেলে দেয়।
স্থানীয়রা নিরবকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় নিরবের বন্ধু কাজী অহিদুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে প্রাণ বাঁচায়।
নিরব হোসেন চাঁদপুরের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
নিরবের বাবার মৃত্যুর তার মা ২ সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি কামারগাঁও চলে আসেন। নিরব কামারগাঁও কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করার পর লৌহজংয়ে তার খালার বাড়িতে চলে যায় এবং গত বছর লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করে। এ বছর কামারগাঁও মামার বাড়িতে থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে নিরবের খুনের ঘটনায় তার বিধবা মাসহ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে