
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শত বছরের পুরনো একটি ভবনের বারান্দার ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। ভবনটির নিচে থাকা দোকানি ও আশপাশের পথচারীরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। এ ছাড়া সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় বাজারে লোকসমাগম কম ছিল, ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে পৌর শহরের দুধ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিচে থাকা কয়েকজন পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী বিকট শব্দ শুনে দ্রুত দোকান থেকে বের হয়ে যান। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুধ বাজার এলাকার ব্যবসায়ী তারিক আহমেদের মালিকানাধীন দুইতলা ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ছিল। ভবনটি অপসারণের জন্য ভৈরব পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিশ দিলেও মালিক তা উপেক্ষা করেন। পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটির বিভিন্ন কক্ষে গুদাম এবং নিচতলায় দোকান পরিচালনা করা হচ্ছিল।
খবর পেয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ। এ সময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন উপস্থিত ছিলেন।
পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী নজরুল মিয়া বলেন, প্রতিদিনের মতো দোকানে বসে ডিম বিক্রি করছিলেন। তবে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ক্রেতা কম ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে দ্রুত দোকান থেকে বের হয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পাশের ভবনের বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। তিনি বলেন, “অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও রক্ত সৈনিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেওয়ার পরও সেখানে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। দ্রুত ভবনটি অপসারণ না করলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. আল আমিন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানান, ভবনটি দীর্ঘদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করে মালিককে তা অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। এখন ভবনের একাংশ ধসে পড়ায় সোমবার থেকেই পৌরসভার উদ্যোগে ভবনটি অপসারণের কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ভবনটি অপসারণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শত বছরের পুরনো একটি ভবনের বারান্দার ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। ভবনটির নিচে থাকা দোকানি ও আশপাশের পথচারীরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। এ ছাড়া সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় বাজারে লোকসমাগম কম ছিল, ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে পৌর শহরের দুধ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিচে থাকা কয়েকজন পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী বিকট শব্দ শুনে দ্রুত দোকান থেকে বের হয়ে যান। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুধ বাজার এলাকার ব্যবসায়ী তারিক আহমেদের মালিকানাধীন দুইতলা ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ছিল। ভবনটি অপসারণের জন্য ভৈরব পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিশ দিলেও মালিক তা উপেক্ষা করেন। পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটির বিভিন্ন কক্ষে গুদাম এবং নিচতলায় দোকান পরিচালনা করা হচ্ছিল।
খবর পেয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ। এ সময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন উপস্থিত ছিলেন।
পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী নজরুল মিয়া বলেন, প্রতিদিনের মতো দোকানে বসে ডিম বিক্রি করছিলেন। তবে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ক্রেতা কম ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে দ্রুত দোকান থেকে বের হয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পাশের ভবনের বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। তিনি বলেন, “অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও রক্ত সৈনিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেওয়ার পরও সেখানে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। দ্রুত ভবনটি অপসারণ না করলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. আল আমিন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানান, ভবনটি দীর্ঘদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করে মালিককে তা অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। এখন ভবনের একাংশ ধসে পড়ায় সোমবার থেকেই পৌরসভার উদ্যোগে ভবনটি অপসারণের কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ভবনটি অপসারণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ওই গ্রামের গোপীনাথ চন্দ্র দাসের ছেলে। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান জানান, ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় করা অর্থপাচারের মামলায় ঢাকার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
নিহত নাছিমা নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার কৈলশাপুর বনপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
৫ ঘণ্টা আগে
, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে মোট ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ উৎপাদন।
৫ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৭ মিলিমিটার। আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিনভর আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে