
রাজশাহী ব্যুরো

নাটোর ও রাজশাহী বাস মালিক সমিতির চলমান বিরোধের জেরে রাজশাহী–ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাজশাহী বাস মালিক সমিতি বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা। তাদের দাবি, মালিক সমিতির বিরোধের দায় সাধারণ যাত্রীদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
রাজশাহী বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, রুট পরিচালনা, ট্রিপ বণ্টন, কাউন্টার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল, যা এবার প্রকাশ্যে বাস চলাচল বন্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়।
দেশ ট্রাভেলসের মালিক বজলুর রহমান রতন বলেন, 'নাটোর বাস মালিক সমিতি অন্যায়ভাবে রাজশাহীর গাড়ি আটকে দিয়েছে। কোনো আলোচনা ছাড়াই তারা এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। লোকাল বাসের রুট নির্ধারণ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা রুটের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।'
এদিকে যাত্রীদের দাবি, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিরোধ নিষ্পত্তি করে বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হোক। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, 'বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।'

নাটোর ও রাজশাহী বাস মালিক সমিতির চলমান বিরোধের জেরে রাজশাহী–ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাজশাহী বাস মালিক সমিতি বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা। তাদের দাবি, মালিক সমিতির বিরোধের দায় সাধারণ যাত্রীদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
রাজশাহী বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, রুট পরিচালনা, ট্রিপ বণ্টন, কাউন্টার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল, যা এবার প্রকাশ্যে বাস চলাচল বন্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়।
দেশ ট্রাভেলসের মালিক বজলুর রহমান রতন বলেন, 'নাটোর বাস মালিক সমিতি অন্যায়ভাবে রাজশাহীর গাড়ি আটকে দিয়েছে। কোনো আলোচনা ছাড়াই তারা এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। লোকাল বাসের রুট নির্ধারণ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা রুটের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।'
এদিকে যাত্রীদের দাবি, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিরোধ নিষ্পত্তি করে বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হোক। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, 'বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।'

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৭ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে