সীমান্তের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে, বিএসএফ-এর দুঃখ প্রকাশ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিরনগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ও বাংলাদেশিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চৌকা-কিরণগঞ্জ সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্র এসেছে। এমন পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসএফ।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লাগা সংঘর্ষের এই পরিস্থিতি বিকেল সাড়ে ৪টার পর নিয়ন্ত্রণে আসে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে কাজ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)- ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী (বিএসএফ)। বিজিবির কড়া প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বিজিবি জানায়, সকালে কিরণগঞ্জ সীমান্তের ভারতীয় অংশে জমি থেকে গম কেটে নেয়ার অভিযোগ করে দেশটির বাসিন্দারা। এ সময় ভারতের সীমান্তরক্ষীরা কয়েকজন বাংলাদেশিকে আটক করতে গেলে বাধা দেয় গ্রামবাসী।

এই নিয়ে শুরু হয় দু‍‍`দেশের সীমান্তবাসিদের উত্তেজনা। এসময় ভারত অংশ থেকে ককটেল, টিয়ারগ্যাস ছোড়া হয়। এতে বেশকয়েকজন আহত হন।

খবর পেয়ে বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এ নিয়ে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১০ ঘণ্টা আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

১৪ ঘণ্টা আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

১ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

১ দিন আগে