
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ধানের জমিতে পুরোদমে চলছে পানি সেচের কাজ। ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশায় পানি সেচের পাশাপাশি জমির বাড়তি যত্নে নিড়ি, সার ছিটানো ও কিটনাশক ব্যবহার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এই উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিস্তীর্ণ আড়িয়াল বিলের শ্রীনগর অংশে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম ধানের আবাদ হচ্ছে। আর এতে কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক ও প্রান্তিক কৃষক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধানের জমিতে পানি সেচ ব্যবস্থায় এ অঞ্চলে বিদ্যুতের গভীর সেচ যন্ত্র রয়েছে ৬টি, অগভীর (বিদ্যুৎ) ২৭২টি, ডিজেলের ৭৩৭টি। এলএলপি’র বিদ্যুতের ৬০টি ও ডিজেলের ১৩৩টি।
দেখা গেছে, ধানের ব্লকগুলোতে পানি সেচের জন্য স্থানীয় কৃষকরা বিদ্যুৎ সেচ যন্ত্রের পাশাপাশি ডিজেলচালিত শ্যালো ইঞ্জিন ব্যবহার করছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকরা জানায়, ডিজেলচালিত সেচ যন্ত্রেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ মনে করছেন তারা। এতে কিছু খরচ বেশি হলেও ইচ্ছেমতো জমিতে পানি দিতে পারছেন। জমির মালিকরা নিদিষ্ট জমির মিল করে একেকটি ব্লক তৈরি করেছেন। আড়িয়ল বিলসহ উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বেশির ভাগ ব্লকে ধানের জমির জন্য ডিজেলের সেচ যন্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে।
আলমপুর এলাকার কৃষকরা জানায়, এখানে সরকারিভাবে সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি অন্য সেচ ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে এখন আলমপুর-হাঁসাড়া খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।
পশ্চিম নওপাড়ার এলাকার কৃষক আলম হোসেন জানান, ডিজেলের ব্লকের আওতায় প্রতি বিঘা জমিতে পুরো সিজনে পানি সেচ বাবদ দিতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। ডিজেল কৃষকদের কিনে নিতে হয়।
পুর্ব-বাড়ৈখালী এলাকার ইমরান হোসেন জানান, প্রায় ১০ একর জমি নিয়ে একটি ধানের ব্লক করা হয়েছে। ব্লকে ডিজেলচালিত সেচ যন্ত্রের দায়িত্বে আছেন তিনি। এই সিজনে তার কজের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে শ্রীনগরের উপজেলা কৃষি অফিসার মোহসিনা জাহান তোরণ জানান, উপজেলায় বোরো মৌসুমে চালু করা সেচ যন্ত্রের পরিমাণ সর্বমোট ১২১০টি। এর মধ্যে ডিজেলের ৮৭২টি ও বিদ্যুতের ৩৩৮টি এবং অন্য রয়েছে ২২টি।
মোহসিনা জাহান আরো জানান, ধানের কাঙ্ক্ষিত ফলনের জন্য ক্ষেতের পোকা-মাকড় দমনে স্থানীয় কৃষকদের উদ্ধুদ্ধকরণে মাঠে পার্চিং উৎসবের পাশাপাশি তাদের সার্বিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ধানের জমিতে পুরোদমে চলছে পানি সেচের কাজ। ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশায় পানি সেচের পাশাপাশি জমির বাড়তি যত্নে নিড়ি, সার ছিটানো ও কিটনাশক ব্যবহার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এই উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিস্তীর্ণ আড়িয়াল বিলের শ্রীনগর অংশে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম ধানের আবাদ হচ্ছে। আর এতে কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক ও প্রান্তিক কৃষক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধানের জমিতে পানি সেচ ব্যবস্থায় এ অঞ্চলে বিদ্যুতের গভীর সেচ যন্ত্র রয়েছে ৬টি, অগভীর (বিদ্যুৎ) ২৭২টি, ডিজেলের ৭৩৭টি। এলএলপি’র বিদ্যুতের ৬০টি ও ডিজেলের ১৩৩টি।
দেখা গেছে, ধানের ব্লকগুলোতে পানি সেচের জন্য স্থানীয় কৃষকরা বিদ্যুৎ সেচ যন্ত্রের পাশাপাশি ডিজেলচালিত শ্যালো ইঞ্জিন ব্যবহার করছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকরা জানায়, ডিজেলচালিত সেচ যন্ত্রেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ মনে করছেন তারা। এতে কিছু খরচ বেশি হলেও ইচ্ছেমতো জমিতে পানি দিতে পারছেন। জমির মালিকরা নিদিষ্ট জমির মিল করে একেকটি ব্লক তৈরি করেছেন। আড়িয়ল বিলসহ উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বেশির ভাগ ব্লকে ধানের জমির জন্য ডিজেলের সেচ যন্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে।
আলমপুর এলাকার কৃষকরা জানায়, এখানে সরকারিভাবে সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি অন্য সেচ ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে এখন আলমপুর-হাঁসাড়া খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।
পশ্চিম নওপাড়ার এলাকার কৃষক আলম হোসেন জানান, ডিজেলের ব্লকের আওতায় প্রতি বিঘা জমিতে পুরো সিজনে পানি সেচ বাবদ দিতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। ডিজেল কৃষকদের কিনে নিতে হয়।
পুর্ব-বাড়ৈখালী এলাকার ইমরান হোসেন জানান, প্রায় ১০ একর জমি নিয়ে একটি ধানের ব্লক করা হয়েছে। ব্লকে ডিজেলচালিত সেচ যন্ত্রের দায়িত্বে আছেন তিনি। এই সিজনে তার কজের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে শ্রীনগরের উপজেলা কৃষি অফিসার মোহসিনা জাহান তোরণ জানান, উপজেলায় বোরো মৌসুমে চালু করা সেচ যন্ত্রের পরিমাণ সর্বমোট ১২১০টি। এর মধ্যে ডিজেলের ৮৭২টি ও বিদ্যুতের ৩৩৮টি এবং অন্য রয়েছে ২২টি।
মোহসিনা জাহান আরো জানান, ধানের কাঙ্ক্ষিত ফলনের জন্য ক্ষেতের পোকা-মাকড় দমনে স্থানীয় কৃষকদের উদ্ধুদ্ধকরণে মাঠে পার্চিং উৎসবের পাশাপাশি তাদের সার্বিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে