
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর বাগমারায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বন্ধুকে ঢাকা থেকে দেখতে এসে মো. সোহাগ আলী নামে (২৪) এক যুবক খুন হওয়ার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুর থেকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে শনিবার বাগমারা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করেছে র্যাব। রোববার বাগমারা থানা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- বাগমারা উপজেলার মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মোখলেছের ছেলে মো. রনি (৩১) ও একই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৮)।
বাগমারা থানায় দায়ের হওয়া ওই হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাগমারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, র্যাব জানায়, মো. সোহাগ আলী খুন হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যায় র্যাবও ছায়াতদন্ত শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের আভিযানিক দল ও গোয়েন্দা শাখা অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে শনিবার রাত ১ টা ৩৫ মিনিটে র্যাব-৫, সদর কোম্পানি ও র্যাব-৪ এর সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্প র্যাবের যৌথ আভিযানিক দল মামলার অন্যতম মূলহোতা রায়হান ওরফে রনিকে ঢাকার গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে রাত পৌনে ৩টায় ঢাকা জিরানী এলাকা থেকে মো. সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি ও সাজ্জাদ ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের বাগমারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, নিহত সোহাগ আলীর বাড়ি যশোরের মনিরাপুর উপজেলায়। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি সকালে তার বন্ধু বাগমারার মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে মনাহার ইসলামকে (২৮) পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। রাজনৈতিক বিরোধ ও এলাকার একটি পুকুরকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের।
খবর পেয়ে সোহাগসহ তিনজন বন্ধু মনাহারকে ঢাকা থেকে দেখতে আসেন। এ সময় গ্রামে তাদের দেখে মনাহারের প্রতিপক্ষরাই তাদের ওপর হামলা করেন। তখন দুজন পালিয়ে বাঁচলেও সোহাগকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে গ্রামের এক গলির ভেতর থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত সোহাগের চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে পরদিন বাগমারা থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর আত্রাই উপজেলার দিঘা ব্রিজ বাজার এলাকা থেকে রহিদুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রহিদুল মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া বাজার থেকে শিবলু রহমান নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজশাহীর বাগমারায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বন্ধুকে ঢাকা থেকে দেখতে এসে মো. সোহাগ আলী নামে (২৪) এক যুবক খুন হওয়ার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুর থেকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে শনিবার বাগমারা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করেছে র্যাব। রোববার বাগমারা থানা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- বাগমারা উপজেলার মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মোখলেছের ছেলে মো. রনি (৩১) ও একই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৮)।
বাগমারা থানায় দায়ের হওয়া ওই হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাগমারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, র্যাব জানায়, মো. সোহাগ আলী খুন হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যায় র্যাবও ছায়াতদন্ত শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের আভিযানিক দল ও গোয়েন্দা শাখা অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে শনিবার রাত ১ টা ৩৫ মিনিটে র্যাব-৫, সদর কোম্পানি ও র্যাব-৪ এর সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্প র্যাবের যৌথ আভিযানিক দল মামলার অন্যতম মূলহোতা রায়হান ওরফে রনিকে ঢাকার গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে রাত পৌনে ৩টায় ঢাকা জিরানী এলাকা থেকে মো. সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি ও সাজ্জাদ ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের বাগমারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, নিহত সোহাগ আলীর বাড়ি যশোরের মনিরাপুর উপজেলায়। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি সকালে তার বন্ধু বাগমারার মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে মনাহার ইসলামকে (২৮) পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। রাজনৈতিক বিরোধ ও এলাকার একটি পুকুরকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের।
খবর পেয়ে সোহাগসহ তিনজন বন্ধু মনাহারকে ঢাকা থেকে দেখতে আসেন। এ সময় গ্রামে তাদের দেখে মনাহারের প্রতিপক্ষরাই তাদের ওপর হামলা করেন। তখন দুজন পালিয়ে বাঁচলেও সোহাগকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে গ্রামের এক গলির ভেতর থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত সোহাগের চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে পরদিন বাগমারা থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর আত্রাই উপজেলার দিঘা ব্রিজ বাজার এলাকা থেকে রহিদুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রহিদুল মরুগ্রাম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া বাজার থেকে শিবলু রহমান নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে