
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের একটি বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে নিহত দুইজনের দেহ ও মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে এই ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে ককটেল তৈরির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতপরিচয় দুইজন প্রাণ হারান এবং তাদের মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বিস্ফোরণে গুরুতর আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, বর্তমানে চরবাগডাঙ্গায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে এবং এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক আছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের একটি বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে নিহত দুইজনের দেহ ও মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে এই ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে ককটেল তৈরির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতপরিচয় দুইজন প্রাণ হারান এবং তাদের মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বিস্ফোরণে গুরুতর আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, বর্তমানে চরবাগডাঙ্গায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে এবং এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের দুটি আসন— ৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) ও ৯ (নান্দাইল)— এবার ছিল ব্যতিক্রমী ও ঘটনাবহুল। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই বিজয়ী হয়েছেন দুই প্রার্থী। একই সঙ্গে দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনের পর দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দল পরিবর্তন করেও জয় পাননি এক সাবেক সংসদ সদস্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা-১ (দাকোপ ও বটিয়াঘাটা) আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খানের কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কৃষ্ণ নন্দী। এবারের নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত একমাত্র হিন্দু প্রার্থী ছিলেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৭ ভোট।
১ দিন আগে
জামালপুরের পাঁচটি আসনেই দাপুটে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে তিনি ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
১ দিন আগে