
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এক যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীর বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির চেষ্টাকালে ডাকাত দলের ছোড়া গুলিতে তাদেরই এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাসের বাজার এলাকার লঘাটি গ্রামে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে তার আত্মীয় গিয়াস উদ্দিন পরিবারসহ বসবাস করে আসছিলেন। গভীর রাতে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত বাড়ির রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে।
এ সময় দরজা ভাঙার শব্দ পেয়ে পরিবারের সবাই ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। গিয়াস উদ্দিন গ্রিল ধরে রাখেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা চিৎকার শুরু করেন।
একপর্যায়ে ডাকাত দলের একজন সদস্য গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অপর এক ডাকাত সদস্যের মাথায় লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গুলিবিদ্ধ ডাকাত দলের ওই সদস্যকে ঘটনাস্থলে রেখেই অন্যরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে আজ সকালে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এক যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীর বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির চেষ্টাকালে ডাকাত দলের ছোড়া গুলিতে তাদেরই এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাসের বাজার এলাকার লঘাটি গ্রামে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে তার আত্মীয় গিয়াস উদ্দিন পরিবারসহ বসবাস করে আসছিলেন। গভীর রাতে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত বাড়ির রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে।
এ সময় দরজা ভাঙার শব্দ পেয়ে পরিবারের সবাই ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। গিয়াস উদ্দিন গ্রিল ধরে রাখেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা চিৎকার শুরু করেন।
একপর্যায়ে ডাকাত দলের একজন সদস্য গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অপর এক ডাকাত সদস্যের মাথায় লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গুলিবিদ্ধ ডাকাত দলের ওই সদস্যকে ঘটনাস্থলে রেখেই অন্যরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে আজ সকালে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে