
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটে পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন মালিকদের ডাকা ধর্মঘট কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হলেও জ্বালানি সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে নগরের অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধ ছিল। ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং বিপাকে পড়েন যাত্রীরা।
এর আগে, বুধবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানাকে ‘অযৌক্তিক’ দাবি করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়রানি বন্ধের আশ্বাস পাওয়ার পর এ দিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম আদনান ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন।
তবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা এলেও বাস্তবে পাম্পগুলোতে জ্বালানি বিক্রি স্বাভাবিক হয়নি। অনেক যাত্রী জানান, আগাম কোনো ঘোষণা না থাকায় হঠাৎ করেই তারা বিপাকে পড়েছেন।
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অতিরিক্ত জরিমানা, ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, ঘনঘন তদারকি, পাম্পে পুলিশ মোতায়েনসহ নানা কারণে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বুধবার একাধিক পাম্পে জরিমানা করা হয় এবং এক মালিককে কয়েক ঘণ্টা পুলিশি হেফাজতে রাখার অভিযোগও ওঠে। সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের মুখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অযথা হয়রানি করা হবে না।
ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা এলেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রশাসন ও পাম্প মালিকদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সিলেটে জ্বালানি সরবরাহ কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে।

সিলেটে পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন মালিকদের ডাকা ধর্মঘট কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হলেও জ্বালানি সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে নগরের অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধ ছিল। ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং বিপাকে পড়েন যাত্রীরা।
এর আগে, বুধবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানাকে ‘অযৌক্তিক’ দাবি করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়রানি বন্ধের আশ্বাস পাওয়ার পর এ দিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম আদনান ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন।
তবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা এলেও বাস্তবে পাম্পগুলোতে জ্বালানি বিক্রি স্বাভাবিক হয়নি। অনেক যাত্রী জানান, আগাম কোনো ঘোষণা না থাকায় হঠাৎ করেই তারা বিপাকে পড়েছেন।
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অতিরিক্ত জরিমানা, ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, ঘনঘন তদারকি, পাম্পে পুলিশ মোতায়েনসহ নানা কারণে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বুধবার একাধিক পাম্পে জরিমানা করা হয় এবং এক মালিককে কয়েক ঘণ্টা পুলিশি হেফাজতে রাখার অভিযোগও ওঠে। সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের মুখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অযথা হয়রানি করা হবে না।
ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা এলেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রশাসন ও পাম্প মালিকদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সিলেটে জ্বালানি সরবরাহ কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে
দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. কবির আহমেদ (৪৫) নামে জামায়াতের এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি জামায়াতের রোকন এবং দলের গুলিস্তান শপিং মার্কেট ইউনিটের সভাপতি। পেশায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী।
২ দিন আগে