
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহা সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বাজার জুড়ে এক লাখ থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের গরু, মহিষ রয়েছে। রয়েছে বিপুল পরিমাণ ছাগল ও ভেড়া। গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে বলছেন খামারিরা। ক্রেতারা সে তুলনায় কাঙ্ক্ষিত দাম বলছেন না বলে অভিযোগ তাদের।
এদিকে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আগ্রহ ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশাল আকৃতির এক দেশি ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’। প্রায় ২৮ মণ ওজনের এই গরু দেখতে হাটে ভিড় জমাচ্ছে উৎসুক মানুষ। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে ষাঁড়টি। এর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ লাখ টাকা।
জুড়ী উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের খামারি কাজল মিয়া প্রায় আড়াই বছর ধরে গরুটিকে লালন-পালন করছেন। তিনি জানান, পরিবারের নিজস্ব গাভি থেকেই জন্ম হয়েছিল এই ষাঁড়টির। ছোটবেলা থেকেই সুঠাম গঠন এর। তেজি স্বভাবের কারণে এর নাম রাখা হয়েছে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’। কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ ছাড়াই প্রতিদিন নিয়মিত খুদ, ভুসি, খৈল, ঘাস ও খড় খাইয়ে একে বড় করা হয়েছে।
বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ পশুর হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। হাটে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’ ছাড়াও সম্রাট, রাজা, শাহীওয়াল, কালোমেঘ, বলবান নামের বিভিন্ন বড় জাতের ষাঁড় উঠেছে।
কাজল মিয়া, রাহেল আহমদ ও নাজিম উদ্দীনের মতো বিক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার পশু পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। কিন্তু হাটে ক্রেতারা দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন। দেড় লাখ টাকার গরুর দাম বলছেন ৮০-৯০ হাজার টাকা। বেশি দামে বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে।
অন্যদিকে ক্রেতা মো. নিজাম উদ্দিন, মার্জানুল ইসলাম ও কবির মিয়া জানান, হাটে পশুর সরবরাহ প্রচুর থাকলেও বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকিয়ে বসে আছেন। ফলে সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার হাটে খাজনা কম হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। জালনোট শনাক্ত করতে মেশিন নিয়ে তৎপর পুলিশ সদস্যরা। এ ছাড়া পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মেডিকেল টিম। পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে হাট চলছে।
বড়লেখা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বড়লেখায় কোরবানির পশুর যে সরবরাহ, তা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলাতেও পাঠানো সম্ভব। খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা বেড়েছে, তাই আমরা দানাদার খাবারের পাশাপাশি সবুজ ঘাস খাওনোর পরামর্শ দিচ্ছি।
সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো অবৈধ ভারতীয় গরু প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বাজার জুড়ে এক লাখ থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের গরু, মহিষ রয়েছে। রয়েছে বিপুল পরিমাণ ছাগল ও ভেড়া। গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে বলছেন খামারিরা। ক্রেতারা সে তুলনায় কাঙ্ক্ষিত দাম বলছেন না বলে অভিযোগ তাদের।
এদিকে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আগ্রহ ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশাল আকৃতির এক দেশি ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’। প্রায় ২৮ মণ ওজনের এই গরু দেখতে হাটে ভিড় জমাচ্ছে উৎসুক মানুষ। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে ষাঁড়টি। এর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ লাখ টাকা।
জুড়ী উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের খামারি কাজল মিয়া প্রায় আড়াই বছর ধরে গরুটিকে লালন-পালন করছেন। তিনি জানান, পরিবারের নিজস্ব গাভি থেকেই জন্ম হয়েছিল এই ষাঁড়টির। ছোটবেলা থেকেই সুঠাম গঠন এর। তেজি স্বভাবের কারণে এর নাম রাখা হয়েছে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’। কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ ছাড়াই প্রতিদিন নিয়মিত খুদ, ভুসি, খৈল, ঘাস ও খড় খাইয়ে একে বড় করা হয়েছে।
বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ পশুর হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। হাটে ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’ ছাড়াও সম্রাট, রাজা, শাহীওয়াল, কালোমেঘ, বলবান নামের বিভিন্ন বড় জাতের ষাঁড় উঠেছে।
কাজল মিয়া, রাহেল আহমদ ও নাজিম উদ্দীনের মতো বিক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার পশু পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। কিন্তু হাটে ক্রেতারা দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন। দেড় লাখ টাকার গরুর দাম বলছেন ৮০-৯০ হাজার টাকা। বেশি দামে বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে।
অন্যদিকে ক্রেতা মো. নিজাম উদ্দিন, মার্জানুল ইসলাম ও কবির মিয়া জানান, হাটে পশুর সরবরাহ প্রচুর থাকলেও বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকিয়ে বসে আছেন। ফলে সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার হাটে খাজনা কম হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। জালনোট শনাক্ত করতে মেশিন নিয়ে তৎপর পুলিশ সদস্যরা। এ ছাড়া পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মেডিকেল টিম। পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে হাট চলছে।
বড়লেখা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বড়লেখায় কোরবানির পশুর যে সরবরাহ, তা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলাতেও পাঠানো সম্ভব। খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা বেড়েছে, তাই আমরা দানাদার খাবারের পাশাপাশি সবুজ ঘাস খাওনোর পরামর্শ দিচ্ছি।
সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো অবৈধ ভারতীয় গরু প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিচারিক কার্যক্রম চলার সময় এজলাসে হইচই শুরু হয়। এ সময় বিচারক সুজন মিয়া বারবার সবাইকে শান্ত হতে বলেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আদালত কক্ষের পেছনের বেঞ্চে কথা বলতে থাকা কয়েকজন আইনজীবীকে লক্ষ্য করে কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি সরাসরি প্রশিক
১ দিন আগে
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নতুন করে পানি বৃদ্ধির শঙ্কা নেই। আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে পানি বিপদসীমার আরও নিচে নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
সোমবার (২১ জুলাই) ১৬১ নম্বর রাজগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, গাছটি একতলা পুরোনো ভবনের ছাদের ওপর ঝুঁকে আছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভবনের শ্রেণিকক্ষগুলো প্রায় পাঁচ মাস ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে।
২ দিন আগে
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল বেলায় হাসিনা বেগম লোহার মই বেয়ে ছাদে উঠছিল। মইটি আগে থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল। ফলে বেয়ে উঠার সময় হাসিনা বিদ্যুৎস্পষ্ট হন। এই সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাতিজি আশা খাতুন ও আশার মেয়ে মিম আক্তার মারা যান। পরে স্থানীয়রা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে।
৩ দিন আগে