
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলায় আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আইনজীবী সমিতি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সমিতির সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিন।
আফতাব উদ্দিন বলেন, আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে তাদের সব ধরনের আইনি লড়াইয়ে সহযোগিতা করার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা ‘নিকৃষ্টতম’। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকজন সরকারি আইনজীবী রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আফতাব উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত গহনা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক দুজন ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশি তৎপরতা ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত ও কার্যক্রম সঠিক পথেই রয়েছে বলে মনে করছে আইনজীবী সমিতি।
এই আইনজীবী বলেন, হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নানা ধরনের গুজব ও গল্প সাজিয়ে প্রচার করছেন। কেউ কেউ এটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রচার চালানোর চেষ্টা করছেন। আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে তিনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ‘রাজনীতি এবং কোনো প্রকার গুজব না ছড়ানো’র অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে এ ঘটনা নিয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, অ্যাডভোকেট সাহেদ কামাল ইবনে খতিব, অ্যাডভোকেট কাওছার আলীসহ আইনজীবী সমিতির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। এর আগে তিনি রংপুর শহরের বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। পরে নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। ২০১০ সালে জমিটি কেনা হলেও অনেক পরে সেখানে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
ওই বাড়ির দোতলায় প্রায় তিন বছর ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন গণপতি চক্রবর্তী। তবে নিচতলার নির্মাণকাজ তখনও শেষ হয়নি। অবসরে যাওয়ার পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন। গত ২২ আগস্ট (শনিবার) রাতে ওই বাসা থেকে গণপতি, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিন রোববার নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ওই দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলায় আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আইনজীবী সমিতি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সমিতির সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিন।
আফতাব উদ্দিন বলেন, আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে তাদের সব ধরনের আইনি লড়াইয়ে সহযোগিতা করার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা ‘নিকৃষ্টতম’। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকজন সরকারি আইনজীবী রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আফতাব উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত গহনা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক দুজন ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশি তৎপরতা ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত ও কার্যক্রম সঠিক পথেই রয়েছে বলে মনে করছে আইনজীবী সমিতি।
এই আইনজীবী বলেন, হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নানা ধরনের গুজব ও গল্প সাজিয়ে প্রচার করছেন। কেউ কেউ এটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রচার চালানোর চেষ্টা করছেন। আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে তিনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ‘রাজনীতি এবং কোনো প্রকার গুজব না ছড়ানো’র অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে এ ঘটনা নিয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, অ্যাডভোকেট সাহেদ কামাল ইবনে খতিব, অ্যাডভোকেট কাওছার আলীসহ আইনজীবী সমিতির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। এর আগে তিনি রংপুর শহরের বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। পরে নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। ২০১০ সালে জমিটি কেনা হলেও অনেক পরে সেখানে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
ওই বাড়ির দোতলায় প্রায় তিন বছর ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন গণপতি চক্রবর্তী। তবে নিচতলার নির্মাণকাজ তখনও শেষ হয়নি। অবসরে যাওয়ার পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন। গত ২২ আগস্ট (শনিবার) রাতে ওই বাসা থেকে গণপতি, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিন রোববার নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ওই দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বাড়ির পাশের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ দল বেঁধে খাবার খেতে আসছেন। কয়েক দফায় তাদের খাবার পরিবেশন করা হয়। ছিল গরু ও খাসির মাংস, ভাত, খিচুড়ি, মাছসহ নানা পদ। অতিথিদের আনাগোনায় পুরো বাড়িতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান জানান, কয়েকজন শিশু চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় একে একে পাঁচ শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়।
১ দিন আগে
তাদের আটক করে পুলিশ জানিয়েছে, তারা আত্মগোপনে ছিলেন। তবে পিন্টু দাস কী কারণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।
১ দিন আগে
শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে সাতজনের বাড়িই ছিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে প্রশাসনের সহায়তায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলায় পাঠানো হয়।
১ দিন আগে