
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে দেখা মিলেছে এক মিঠাপানির কুমিরের—এমনই দাবি করেছেন এক আলোকচিত্রী দম্পতি। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বিষয়টি জানেন না এবং পদ্মায় কুমির থাকার সম্ভাবনাও খুবই কম।
গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ষাটবিঘা চরে পাখির ছবি তুলতে গিয়ে কুমিরটি দেখতে পান আলোকচিত্রী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভা। তারা ড্রোন ও ক্যামেরায় প্রাণীটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। দম্পতির দাবি, ছবিটি পদ্মা নদীর টি-বাঁধের উল্টো দিক থেকে তোলা।
ইমরুল কায়েস বলেন, “আমরা সকালে পাখির ছবি তুলছিলাম। হঠাৎ দেখি পানির ধারে বড়সড় কিছু একটা নড়ছে। ড্রোন দিয়ে জুম করে দেখি, এটা কুমির। পরে কিছুক্ষণ ভিডিও ধারণ করি।”
শুধু ওই দম্পতিই নন, গরু চরাতে গিয়ে একইদিন দুপুরে রাজশাহীর ষাটবিঘা চরের রাজু আহাম্মেদ প্রথম কুমিরটি দেখতে পান। তিনি জানান, কুমিরটি চরে উঠে এসেছিল। পানি থেকে তিন-চার হাত দূরে। তিনি তখন মুঠোফোনে গান শুনছিলেন। গান বন্ধ করে ছবি তুলতে গেলেই কুমিরটি পানিতে নেমে যায়। অনেকক্ষণ পর নিশ্বাস নেওয়ার জন্য একবার শুধু মুখ বের করেছিল। বন বিভাগের কর্মী সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় থাকায় তিনি তাঁকে ফোন করে এই খবর দেন। এরপর রাজশাহী বন বিভাগের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির ফোন করেন ইমরুল কায়েসকে।
কায়েস ও খাদিজা দম্পতি থাকেন রাজশাহী শহরের কাজীহাটা এলাকায়। পদ্মা নদী তাদের খুব চেনা জায়গা। সেদিন তারা বের হয়েছিলেন লাল মুনিয়ার ছবি তুলতে।
খাদিজা বলেন, ‘রোদের তাপে ক্লান্ত হয়ে ঘাটের দোকানে বসেছিলাম। ঠিক তখনই বন বিভাগের ফোন এলো। ঘুম উড়ে গেল। কুমিরের খোঁজে বেরিয়ে পড়লাম। ভারতের সীমান্তঘেঁষা এলাকায় রাজুর বাড়ি। রাজুকে সঙ্গে নিয়ে অনেক খোঁজ করেও কুমির দেখা গেল না। ঠিক তখনই কায়েস ড্রোন উড়ালেন। প্রথমে কিছু দেখা গেল না। একটু পর হঠাৎ কায়েস চিৎকার করে উঠলেন, ‘পাগলি, কুমির!’ দুজন ছুটে গেলাম সেই দিকে।
খাদিজার ভাষায়, ‘জীবনে প্রথমবার প্রকৃতিতে কুমির দেখলাম! কায়েস ভিডিও করছিলেন, আমি ছবি তুলছিলাম। মুহূর্তটা ছিল অবিশ্বাস্য।’
এদিকে, এই খবরে রাজশাহীজুড়ে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পদ্মার পাড়ে ভিড় জমান কুমিরটি দেখার আশায়। তবে এরপর আর প্রাণীটিকে কেউ চোখে দেখেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “পদ্মায় কুমির দেখার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এখানে কুমির থাকার সম্ভাবনাও খুব কম। তবে ঘড়িয়াল দেখা যেতে পারে, কারণ পদ্মা ও যমুনা নদীতে ঘড়িয়াল পাওয়া যায়।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছবিতে দেখা প্রাণীটি হয়তো ভারতের চাম্বুল নদী থেকে ভেসে আসা বয়স্ক মিঠাপানির কুমির হতে পারে। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমিরকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক এ বি এম সারোয়ার আলম (সীমান্ত দীপু) বলেন, “২০১৫ সালে আমরা মিঠাপানির কুমিরকে বাংলাদেশে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছি। এরপর পাবনায় একটি কুমির ধরা পড়ে, আরও দুটি দেশের অন্য এলাকায় দেখা যায়। সেগুলো এখন সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে সংরক্ষিত রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহীর পদ্মায় যে কুমির দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের প্রকৃতিতে জন্ম নেওয়া কুমির না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ভারতের চাম্বুল নদী থেকে আসতে পারে।”

রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে দেখা মিলেছে এক মিঠাপানির কুমিরের—এমনই দাবি করেছেন এক আলোকচিত্রী দম্পতি। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বিষয়টি জানেন না এবং পদ্মায় কুমির থাকার সম্ভাবনাও খুবই কম।
গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ষাটবিঘা চরে পাখির ছবি তুলতে গিয়ে কুমিরটি দেখতে পান আলোকচিত্রী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভা। তারা ড্রোন ও ক্যামেরায় প্রাণীটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। দম্পতির দাবি, ছবিটি পদ্মা নদীর টি-বাঁধের উল্টো দিক থেকে তোলা।
ইমরুল কায়েস বলেন, “আমরা সকালে পাখির ছবি তুলছিলাম। হঠাৎ দেখি পানির ধারে বড়সড় কিছু একটা নড়ছে। ড্রোন দিয়ে জুম করে দেখি, এটা কুমির। পরে কিছুক্ষণ ভিডিও ধারণ করি।”
শুধু ওই দম্পতিই নন, গরু চরাতে গিয়ে একইদিন দুপুরে রাজশাহীর ষাটবিঘা চরের রাজু আহাম্মেদ প্রথম কুমিরটি দেখতে পান। তিনি জানান, কুমিরটি চরে উঠে এসেছিল। পানি থেকে তিন-চার হাত দূরে। তিনি তখন মুঠোফোনে গান শুনছিলেন। গান বন্ধ করে ছবি তুলতে গেলেই কুমিরটি পানিতে নেমে যায়। অনেকক্ষণ পর নিশ্বাস নেওয়ার জন্য একবার শুধু মুখ বের করেছিল। বন বিভাগের কর্মী সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় থাকায় তিনি তাঁকে ফোন করে এই খবর দেন। এরপর রাজশাহী বন বিভাগের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির ফোন করেন ইমরুল কায়েসকে।
কায়েস ও খাদিজা দম্পতি থাকেন রাজশাহী শহরের কাজীহাটা এলাকায়। পদ্মা নদী তাদের খুব চেনা জায়গা। সেদিন তারা বের হয়েছিলেন লাল মুনিয়ার ছবি তুলতে।
খাদিজা বলেন, ‘রোদের তাপে ক্লান্ত হয়ে ঘাটের দোকানে বসেছিলাম। ঠিক তখনই বন বিভাগের ফোন এলো। ঘুম উড়ে গেল। কুমিরের খোঁজে বেরিয়ে পড়লাম। ভারতের সীমান্তঘেঁষা এলাকায় রাজুর বাড়ি। রাজুকে সঙ্গে নিয়ে অনেক খোঁজ করেও কুমির দেখা গেল না। ঠিক তখনই কায়েস ড্রোন উড়ালেন। প্রথমে কিছু দেখা গেল না। একটু পর হঠাৎ কায়েস চিৎকার করে উঠলেন, ‘পাগলি, কুমির!’ দুজন ছুটে গেলাম সেই দিকে।
খাদিজার ভাষায়, ‘জীবনে প্রথমবার প্রকৃতিতে কুমির দেখলাম! কায়েস ভিডিও করছিলেন, আমি ছবি তুলছিলাম। মুহূর্তটা ছিল অবিশ্বাস্য।’
এদিকে, এই খবরে রাজশাহীজুড়ে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পদ্মার পাড়ে ভিড় জমান কুমিরটি দেখার আশায়। তবে এরপর আর প্রাণীটিকে কেউ চোখে দেখেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “পদ্মায় কুমির দেখার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এখানে কুমির থাকার সম্ভাবনাও খুব কম। তবে ঘড়িয়াল দেখা যেতে পারে, কারণ পদ্মা ও যমুনা নদীতে ঘড়িয়াল পাওয়া যায়।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছবিতে দেখা প্রাণীটি হয়তো ভারতের চাম্বুল নদী থেকে ভেসে আসা বয়স্ক মিঠাপানির কুমির হতে পারে। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমিরকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক এ বি এম সারোয়ার আলম (সীমান্ত দীপু) বলেন, “২০১৫ সালে আমরা মিঠাপানির কুমিরকে বাংলাদেশে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছি। এরপর পাবনায় একটি কুমির ধরা পড়ে, আরও দুটি দেশের অন্য এলাকায় দেখা যায়। সেগুলো এখন সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে সংরক্ষিত রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহীর পদ্মায় যে কুমির দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের প্রকৃতিতে জন্ম নেওয়া কুমির না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ভারতের চাম্বুল নদী থেকে আসতে পারে।”

হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
১ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
১ দিন আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফ
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে লেখা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে এক দফা সংঘর্ষের পর বিকেলে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ।
১ দিন আগে