
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে সার্কিট হাউস-সংলগ্ন সড়কে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হলে ভাইরাল ভিডিওর দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে জুবায়ের হোসেন রাকিব (১৯) ও কাশিয়াডাঙ্গা থানার মহিষবাথান উত্তর পাড়ার মো. রমজানের ছেলে সবুজ (২০)। রাজপাড়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।
এর আগে, রাজশাহীর সার্কিট হাউস-সংলগ্ন সড়কে নারীদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, নগরের সিঅ্যান্ডডি মোড় এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন যুবক নারীদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছেন। তাদের এ আচরণে বিব্রত হন পথচারী নারীরা। ভিডিওটা ভাইরাল হলে রাজশাহীজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নামে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। এছাড়া, বিষয়টি জানাজানি হতেই পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং ঘটনার পরদিন বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে আরএমপির ফেসবুক পেজে চারজন অভিযুক্তের ছবি প্রকাশ করে তাদের ধরতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
আরএমপির মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে কয়েকজন যুবক রাস্তায় চলাচলকারী নারীদের উত্ত্যক্ত করছে এবং সেই দৃশ্যটি তাদের পরিচিত একজন মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে সে ভিডিওটি তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে মুহূর্তেই তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। বিষয়টি আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নজরে এলে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে আসামিদের নাম ও ঠিকানা চেয়ে আরএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্টও দেওয়া হয়। পরে পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টায় নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ে অভিযান চালিয়ে আসামি জুবায়েরকে ও দুপুর ২টায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার ম্যাচ ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে সবুজকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে সার্কিট হাউস-সংলগ্ন সড়কে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হলে ভাইরাল ভিডিওর দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে জুবায়ের হোসেন রাকিব (১৯) ও কাশিয়াডাঙ্গা থানার মহিষবাথান উত্তর পাড়ার মো. রমজানের ছেলে সবুজ (২০)। রাজপাড়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।
এর আগে, রাজশাহীর সার্কিট হাউস-সংলগ্ন সড়কে নারীদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, নগরের সিঅ্যান্ডডি মোড় এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন যুবক নারীদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছেন। তাদের এ আচরণে বিব্রত হন পথচারী নারীরা। ভিডিওটা ভাইরাল হলে রাজশাহীজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নামে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। এছাড়া, বিষয়টি জানাজানি হতেই পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং ঘটনার পরদিন বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে আরএমপির ফেসবুক পেজে চারজন অভিযুক্তের ছবি প্রকাশ করে তাদের ধরতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
আরএমপির মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে কয়েকজন যুবক রাস্তায় চলাচলকারী নারীদের উত্ত্যক্ত করছে এবং সেই দৃশ্যটি তাদের পরিচিত একজন মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে সে ভিডিওটি তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে মুহূর্তেই তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। বিষয়টি আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নজরে এলে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে আসামিদের নাম ও ঠিকানা চেয়ে আরএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্টও দেওয়া হয়। পরে পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টায় নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ে অভিযান চালিয়ে আসামি জুবায়েরকে ও দুপুর ২টায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার ম্যাচ ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে সবুজকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১৭ ঘণ্টা আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১৯ ঘণ্টা আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকায় যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
১ দিন আগে