
রাজশাহী ব্যুরো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সভাপতি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম বলেছেন, নারীদের শিবিরের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা কোনো সংগঠন দিতে পারবে না। নারীরা শিবিরের কাছেই সবচেয়ে নিরাপদ।
আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি করেন।
সাদিক কায়েম বলেন, শিবিরের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা কোনো সংগঠন দিতে পারবে না। নারীরা শিবিরের কাছেই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে এমন কোনো উদাহরণ নেই যে শিবিরের কেউ নারীর ওপর ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানি চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশের সব ক্যাম্পাসে দ্রুত ছাত্রসংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। রাজশাহী কলেজের ছাত্র সংসদের জন্য আমরা ডাকসু থেকে কাজ করব।
রাজশাহী কলেজকে ‘গ্রীন অ্যান্ড ক্লিন ক্যাম্পাস’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত নেতৃত্বই ক্যাম্পাসের সব সমস্যার সমাধানের মূল চাবিকাঠি। আবাসন সংকটসহ যেকোনো সমস্যা ছাত্রসংসদই সমাধান করতে পারে।
জুলাই বিপ্লবে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরে সাদিক কায়েম বলেন, তরুণরাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তা সফল করেছেন। তরুণরা ঘোষণা দিয়েছে—বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা হতে দেবে না। দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধেও তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
বৈষম্য দূর ও “নতুন বাংলাদেশ” নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক মহানগর সভাপতি মো. সিফাত আলম, রাকসু ভিপি ও রাবি শাখা সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং রাজশাহী মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শিবিরের রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাসুম এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সভাপতি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম বলেছেন, নারীদের শিবিরের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা কোনো সংগঠন দিতে পারবে না। নারীরা শিবিরের কাছেই সবচেয়ে নিরাপদ।
আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি করেন।
সাদিক কায়েম বলেন, শিবিরের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা কোনো সংগঠন দিতে পারবে না। নারীরা শিবিরের কাছেই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে এমন কোনো উদাহরণ নেই যে শিবিরের কেউ নারীর ওপর ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানি চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশের সব ক্যাম্পাসে দ্রুত ছাত্রসংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। রাজশাহী কলেজের ছাত্র সংসদের জন্য আমরা ডাকসু থেকে কাজ করব।
রাজশাহী কলেজকে ‘গ্রীন অ্যান্ড ক্লিন ক্যাম্পাস’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত নেতৃত্বই ক্যাম্পাসের সব সমস্যার সমাধানের মূল চাবিকাঠি। আবাসন সংকটসহ যেকোনো সমস্যা ছাত্রসংসদই সমাধান করতে পারে।
জুলাই বিপ্লবে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরে সাদিক কায়েম বলেন, তরুণরাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তা সফল করেছেন। তরুণরা ঘোষণা দিয়েছে—বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা হতে দেবে না। দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধেও তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
বৈষম্য দূর ও “নতুন বাংলাদেশ” নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক মহানগর সভাপতি মো. সিফাত আলম, রাকসু ভিপি ও রাবি শাখা সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং রাজশাহী মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শিবিরের রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাসুম এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন, মহানগর বিএনপির নেতা আফরোজা নাসরিন থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, বক্তব্যের শুরুতেই হাসান আল মামুন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ অভিহিত করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর পরপরই জামায়াত নেতা গোলাম আযম ও মতিউর রহমান নিজামীকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ‘সূর্যসন্তান’ ও ‘দেশপ্রেমিক’ উল্লেখ করে তাদের প্রতি শ্
২ দিন আগে
আগামী ১৪ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তার লাশ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপি এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
৪ দিন আগে
হাদির চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, কেউ না থাকার সুযোগে জানালা ভেঙে চোর ঘরে প্রবেশ করে। এখন কী পরিমাণ মালামাল নিয়েছে সেটা আমরা জানতে পারিনি।
৪ দিন আগে