
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩৮ জনের মধ্যে ১৯ জনেরই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে সমানসংখ্যক ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন- রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক; রাজশাহী-২ (সদর) আসনে সালেহ আহমেদ; রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা শাহাবুদ্দিন; রাজশাহী-৩ আসনে মোহনপুর উপজেলা কৃষকলীগের নেত্রী হাবিবা বেগম; রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে লন্ডনপ্রবাসী জিয়া পরিষদের নেতা রেজাউল করিম, আওয়ামী সমর্থক আইনজীবী রায়হান কাওসার, বিএনপি নেতা ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও জুলফার নাঈম মোস্তফা।
এদিকে, দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন-রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহাজান; রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান; রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান এবং আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ; রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান; রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই সমর্থক হিসেবে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিকভাবে জমা দিতে ব্যর্থ হন। এছাড়া কারও বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল, আবার কেউ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল করেননি।
অন্যদিকে, বৈধ প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন—রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান;
রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম; রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজ।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার জানান, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এছাড়া যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে স্মারকলিপি আকারে সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩৮ জনের মধ্যে ১৯ জনেরই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে সমানসংখ্যক ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন- রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক; রাজশাহী-২ (সদর) আসনে সালেহ আহমেদ; রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা শাহাবুদ্দিন; রাজশাহী-৩ আসনে মোহনপুর উপজেলা কৃষকলীগের নেত্রী হাবিবা বেগম; রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে লন্ডনপ্রবাসী জিয়া পরিষদের নেতা রেজাউল করিম, আওয়ামী সমর্থক আইনজীবী রায়হান কাওসার, বিএনপি নেতা ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও জুলফার নাঈম মোস্তফা।
এদিকে, দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন-রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহাজান; রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান; রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান এবং আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ; রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান; রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই সমর্থক হিসেবে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিকভাবে জমা দিতে ব্যর্থ হন। এছাড়া কারও বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল, আবার কেউ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল করেননি।
অন্যদিকে, বৈধ প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন—রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান;
রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম; রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজ।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার জানান, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এছাড়া যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে স্মারকলিপি আকারে সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
১ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
১ দিন আগে
এর আগে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে শুক্রবার রাতে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহাবুবুল হককে আহ্বায়ক ও সীতাকুণ্ডের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিতে।
১ দিন আগে