
রাজশাহী ব্যুরো

নাবিল গ্রুপের ব্র্যান্ড ‘ফুডেলা সয়াবিন ওয়েল লঞ্চ সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাজশাহী মহানগরের গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলের পদ্মা হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। তিনি বলেন, ‘নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ রাজশাহী তথা সমগ্র দেশের গর্ব, নিরবে বেড়ে ওঠে দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য আশীর্বাদ এ প্রতিষ্ঠানের পণ্য ফুডেলা সয়াবিন ওয়েলের জন্য সমৃদ্ধি কামনা করছি’।
এ সময় নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মো. জাহান বক্স মন্ডল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও কৃষিবিদ আমিনুল ইসলামের পক্ষে নাবিল ফিড মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান, নাবিল গ্রুপের পরিচালক মামুনুর রশিদ, মানব সম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মাদ সমশের আলী, ডিরেক্টর সাপ্লাই চেইন অপারেশন কাজী শিব্বির আহমেদ, ডিরেক্টর ইন্না এগ্রো লিমিটেডের মো. শাহীনুর রহমান, নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মো. জিল্লুর রহমান, জিএম- এফএমসিজি (বিক্রয়) মো. আবিদ হোসেন খান, হেড অব নাবিল ফিড মিল লি. জাহিদুল ইসলাম, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এর এজিএম সাব্বির আহমেদ, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এর সিনিয়র ম্যানেজার এ কে এম শরিফ আল হাসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পরিবেশকগণ উপস্থিত ছিলেন।
নাবিল ফিড মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান বলেন, ‘সারা দেশ থেকে আগত পরিবেশকরা নাবিল গ্রুপের প্রধান শক্তি, আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আমাদের অন্যান্য পণ্যের মতো দেশব্যাপী গুণগত মানসম্মত ফুডেলা সয়াবিন তেল দেশের প্রতিটি গৃহিণীর হাতে পৌঁছে দিতে পারব, ইনশা-আল্লাহ’।
পরে অতিথিরা ফুডেলা সয়াবিন তেলের মোড়ক উম্মোচন ও কেক কাটেন। তারপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

নাবিল গ্রুপের ব্র্যান্ড ‘ফুডেলা সয়াবিন ওয়েল লঞ্চ সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাজশাহী মহানগরের গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলের পদ্মা হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। তিনি বলেন, ‘নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ রাজশাহী তথা সমগ্র দেশের গর্ব, নিরবে বেড়ে ওঠে দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য আশীর্বাদ এ প্রতিষ্ঠানের পণ্য ফুডেলা সয়াবিন ওয়েলের জন্য সমৃদ্ধি কামনা করছি’।
এ সময় নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মো. জাহান বক্স মন্ডল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও কৃষিবিদ আমিনুল ইসলামের পক্ষে নাবিল ফিড মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান, নাবিল গ্রুপের পরিচালক মামুনুর রশিদ, মানব সম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মাদ সমশের আলী, ডিরেক্টর সাপ্লাই চেইন অপারেশন কাজী শিব্বির আহমেদ, ডিরেক্টর ইন্না এগ্রো লিমিটেডের মো. শাহীনুর রহমান, নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মো. জিল্লুর রহমান, জিএম- এফএমসিজি (বিক্রয়) মো. আবিদ হোসেন খান, হেড অব নাবিল ফিড মিল লি. জাহিদুল ইসলাম, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এর এজিএম সাব্বির আহমেদ, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এর সিনিয়র ম্যানেজার এ কে এম শরিফ আল হাসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পরিবেশকগণ উপস্থিত ছিলেন।
নাবিল ফিড মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান বলেন, ‘সারা দেশ থেকে আগত পরিবেশকরা নাবিল গ্রুপের প্রধান শক্তি, আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আমাদের অন্যান্য পণ্যের মতো দেশব্যাপী গুণগত মানসম্মত ফুডেলা সয়াবিন তেল দেশের প্রতিটি গৃহিণীর হাতে পৌঁছে দিতে পারব, ইনশা-আল্লাহ’।
পরে অতিথিরা ফুডেলা সয়াবিন তেলের মোড়ক উম্মোচন ও কেক কাটেন। তারপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

ওসি জানান, ফেরিতে ওঠার সময় একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে ট্রাকচাপায় আপন নামের এক যুবককের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা চালছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
১ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
১ দিন আগে