
রাজশাহী ব্যুরো

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক সিরাজুল হককে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।
রাজশাহী জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আগামী ৯ মার্চ রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে মেয়র পদে নির্বাচন করছেন সিরাজুল হক। এ ছাড়া গত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের সময় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তিনি। সিরাজুল হক গত বছরের ৬ মে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাইছার মেমোরিয়াল হাসপাতালে শিক্ষক সমাজের সঙ্গে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় যোগদেন এবং তার পক্ষে বক্তব্য রাখেন।
ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজুল হককে দলের সমস্ত পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান জেলা বিএনপির একাধিক নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক সিরাজুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক সিরাজুল হককে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।
রাজশাহী জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আগামী ৯ মার্চ রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে মেয়র পদে নির্বাচন করছেন সিরাজুল হক। এ ছাড়া গত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের সময় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তিনি। সিরাজুল হক গত বছরের ৬ মে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাইছার মেমোরিয়াল হাসপাতালে শিক্ষক সমাজের সঙ্গে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় যোগদেন এবং তার পক্ষে বক্তব্য রাখেন।
ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজুল হককে দলের সমস্ত পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান জেলা বিএনপির একাধিক নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক সিরাজুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে