
রাজশাহী ব্যুরো

জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার একটি ধর্ষণ মামলার আসামিকে পাশের জেলা নাটোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৫)। বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-৫ এর নাটোর ক্যাম্পের একটি দল সদর উপজেলার কানাইখালী শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. মামুন (২৫)। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার তাজেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের বারিক হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫ এর নাটোর ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক কিশোরী বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে ঘাস কাটতে যায়। সেখানে আগে থেকেই ঘাস কাটছিলেন সাদ্দাম হোসেন নামের এক যুবক। এক পর্যায়ে তিনি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি দেখে ফেলেন মামুন। এ সময় মামুনও ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকে দুই আসামি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের কাছে আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মামুনকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব।

জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার একটি ধর্ষণ মামলার আসামিকে পাশের জেলা নাটোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৫)। বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-৫ এর নাটোর ক্যাম্পের একটি দল সদর উপজেলার কানাইখালী শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. মামুন (২৫)। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার তাজেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের বারিক হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫ এর নাটোর ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক কিশোরী বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে ঘাস কাটতে যায়। সেখানে আগে থেকেই ঘাস কাটছিলেন সাদ্দাম হোসেন নামের এক যুবক। এক পর্যায়ে তিনি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি দেখে ফেলেন মামুন। এ সময় মামুনও ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকে দুই আসামি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের কাছে আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মামুনকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৯ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
২০ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে