
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ইসরাইল হোসেন নামে এক যুবককে গুম করার অভিযোগে র্যাবের সাত সদস্যকে আসামি করে মামলা করেছেন তার স্ত্রী নাইস খাতুন (৩০)। স্বামী নিখোঁজের আট বছর পর আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোদাগাড়ী থানার আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়।
নিখোঁজ ইসমাইল হোসেন গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিষালবাড়ির আলীপুর মহল্লার ইসরাইল হোসেনের ছেলে। তিনি একজন সোনা ব্যবসায়ী ছিলেন। গোদাগাড়ী বাজারে তার স্বর্ণের দোকান রয়েছে। গুম হওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৩০ বছর।
মামলার বাদী নাইস খাতুন বলেন, ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দোকানে যাওয়ার সময় তার স্বামীকে তুলে নিয়ে গুম করেছে র্যাব। তাই তিনি সেই সময়ে রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে কর্মরত র্যাব সদস্যদের আসামি করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, র্যাব-৫ এর তৎকালীন রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার শাহিনুর রহমান, উপপরিদর্শক (এসআই) দেবব্রত মজুমদার, দুলাল মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামাল হোসেন, ল্যান্সনায়েক মাহিনুর খাতুন, সিপাহী কহিনুর বেগম ও কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী ব্যক্তির স্ত্রী মামলার বাদি নাইস খাতুন জানান, ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার স্বামী ইসমাইল হোসেন দোকানে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে পৌঁছালে র্যাবের সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যান। তিন দিন পর ইসমাইল অন্য এক ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর থেকে কল করে পরিবারকে জানান, তিনি র্যাবের হেফাজতে আছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়ার কাশিয়াডাঙ্গা মোড় মেসার্স আমিন ফিলিং স্টেশনের সামনে মতিহারের শ্যামপুুর পশ্চিমপাড়ার মৃত দুলাল শেখ-এর ছেলে আলাউদ্দিন ও বাগমারা উপজেলার ঠাকুরপাড়া মৃত আমেদ আলীীর মেয়ে শিরিনাকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করে (আলাউদ্দিন ও মোসা. শিরিনা ইসমাইলের স্ত্রী নাইস খাতুনের করা মামলার সাক্ষী)। তাদের (সাক্ষীদের) দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার স্বামী ইসমাইল হোসেনকে সেদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসামিরা গোদাগাড়ী ডাইংপাড়া গোলচত্বর থেকে জোড়পূর্বক র্যারের পিকআপে তুলে নেয়। এসময় ইসমাইল হোসেনের মোটরসাইকেল আসামিরা চেয়ে নেয়। পরবর্তীতে আসামিরা সিপিএসসি, রেলওয়ে কলোনী ক্যাম্প র্যাব- ৫ এর অফিসে আলাউদ্দিন এবং শিরিনার সাথে ইসমাইল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তীতে নায়েক সুবেদার শাহিনুর রহমান বাদী হয়ে আলাউদ্দিন ও মোসা. শিরিনার বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানার মামলা দায়ের করেন (নম্বর ১৬ তারিখ ০৭/০৯/২০১৬)। কিন্তু মো. ইসমাইলকে আদালতে সোপর্দ না করায় র্যাব অফিসে বার বার যোগাযোগ করা হয়। তারা ইসমাইলকে বিজ্ঞ আদালতেও সোপর্দ করে না, আবার আমাদের কাছে ফেরত দেয় না। আমরা র্যাব-৫ এর তৎকালীন অধিনায়ক এর সাথে একাধিকবার দেখা করলেও তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে সময় ক্ষেপণ করেন। ইসমাাইলকে অদ্যাবধি ফেরত পাওয়া যায়নি।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগ সাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইসমাইলকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছে। এখন পর্যন্ত ইসমাইল হোসেন ফেরত না আসায় ধারণা করি আসামিরা তাকে অপহরণ করে হত্যা করে লাশ গুম করেছে।
নাইস জানান, র্যাব ক্যাম্পে থাকা যে দুই ব্যক্তি ইসমাইলকে দেখেন এবং যারা তাকে তুলে নিয়ে যেতে দেখেন তাদের সাক্ষী করা হচ্ছে। এতদিন র্যাবের ভয়ে তিনি মামলা করতে পারেননি। এখন পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে তিনি মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছেন। থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। তাই তিনি আদালতে মামলা করেছেন। তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন।
এ বিষয়ে নাইসের আইনজীবী মাহমুদুর রহমান বলেন, বুধবার (২৮ আগস্ট) ইসমাইলের স্ত্রী আদালতে মামলার আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) মামলা হয়েছে। আদালতের বিচারক মো. লিটন হোসেন মামলাটি গ্রহণ করেছেন। আদালত সিআইডিকে আগামী ২৪ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ইসরাইল হোসেন নামে এক যুবককে গুম করার অভিযোগে র্যাবের সাত সদস্যকে আসামি করে মামলা করেছেন তার স্ত্রী নাইস খাতুন (৩০)। স্বামী নিখোঁজের আট বছর পর আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোদাগাড়ী থানার আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়।
নিখোঁজ ইসমাইল হোসেন গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিষালবাড়ির আলীপুর মহল্লার ইসরাইল হোসেনের ছেলে। তিনি একজন সোনা ব্যবসায়ী ছিলেন। গোদাগাড়ী বাজারে তার স্বর্ণের দোকান রয়েছে। গুম হওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৩০ বছর।
মামলার বাদী নাইস খাতুন বলেন, ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দোকানে যাওয়ার সময় তার স্বামীকে তুলে নিয়ে গুম করেছে র্যাব। তাই তিনি সেই সময়ে রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে কর্মরত র্যাব সদস্যদের আসামি করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, র্যাব-৫ এর তৎকালীন রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার শাহিনুর রহমান, উপপরিদর্শক (এসআই) দেবব্রত মজুমদার, দুলাল মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামাল হোসেন, ল্যান্সনায়েক মাহিনুর খাতুন, সিপাহী কহিনুর বেগম ও কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী ব্যক্তির স্ত্রী মামলার বাদি নাইস খাতুন জানান, ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার স্বামী ইসমাইল হোসেন দোকানে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে পৌঁছালে র্যাবের সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যান। তিন দিন পর ইসমাইল অন্য এক ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর থেকে কল করে পরিবারকে জানান, তিনি র্যাবের হেফাজতে আছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়ার কাশিয়াডাঙ্গা মোড় মেসার্স আমিন ফিলিং স্টেশনের সামনে মতিহারের শ্যামপুুর পশ্চিমপাড়ার মৃত দুলাল শেখ-এর ছেলে আলাউদ্দিন ও বাগমারা উপজেলার ঠাকুরপাড়া মৃত আমেদ আলীীর মেয়ে শিরিনাকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করে (আলাউদ্দিন ও মোসা. শিরিনা ইসমাইলের স্ত্রী নাইস খাতুনের করা মামলার সাক্ষী)। তাদের (সাক্ষীদের) দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার স্বামী ইসমাইল হোসেনকে সেদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসামিরা গোদাগাড়ী ডাইংপাড়া গোলচত্বর থেকে জোড়পূর্বক র্যারের পিকআপে তুলে নেয়। এসময় ইসমাইল হোসেনের মোটরসাইকেল আসামিরা চেয়ে নেয়। পরবর্তীতে আসামিরা সিপিএসসি, রেলওয়ে কলোনী ক্যাম্প র্যাব- ৫ এর অফিসে আলাউদ্দিন এবং শিরিনার সাথে ইসমাইল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তীতে নায়েক সুবেদার শাহিনুর রহমান বাদী হয়ে আলাউদ্দিন ও মোসা. শিরিনার বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানার মামলা দায়ের করেন (নম্বর ১৬ তারিখ ০৭/০৯/২০১৬)। কিন্তু মো. ইসমাইলকে আদালতে সোপর্দ না করায় র্যাব অফিসে বার বার যোগাযোগ করা হয়। তারা ইসমাইলকে বিজ্ঞ আদালতেও সোপর্দ করে না, আবার আমাদের কাছে ফেরত দেয় না। আমরা র্যাব-৫ এর তৎকালীন অধিনায়ক এর সাথে একাধিকবার দেখা করলেও তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে সময় ক্ষেপণ করেন। ইসমাাইলকে অদ্যাবধি ফেরত পাওয়া যায়নি।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগ সাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইসমাইলকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছে। এখন পর্যন্ত ইসমাইল হোসেন ফেরত না আসায় ধারণা করি আসামিরা তাকে অপহরণ করে হত্যা করে লাশ গুম করেছে।
নাইস জানান, র্যাব ক্যাম্পে থাকা যে দুই ব্যক্তি ইসমাইলকে দেখেন এবং যারা তাকে তুলে নিয়ে যেতে দেখেন তাদের সাক্ষী করা হচ্ছে। এতদিন র্যাবের ভয়ে তিনি মামলা করতে পারেননি। এখন পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে তিনি মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছেন। থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। তাই তিনি আদালতে মামলা করেছেন। তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন।
এ বিষয়ে নাইসের আইনজীবী মাহমুদুর রহমান বলেন, বুধবার (২৮ আগস্ট) ইসমাইলের স্ত্রী আদালতে মামলার আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) মামলা হয়েছে। আদালতের বিচারক মো. লিটন হোসেন মামলাটি গ্রহণ করেছেন। আদালত সিআইডিকে আগামী ২৪ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২১ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে