
বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় ট্রাকচাপায় মোকাদ্দেছ আলী (২৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় মোটরসাইকেলচালক ইমরান হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বগুড়া শহরতলির তিনমাথা রেলগেটের অদূরে আদর্শ কলেজ গেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোকাদ্দেছ আলী দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ছোট ডাঙ্গাপাড়ার সোহরাব আলীর ছেলে।
তিনমাথা রেলগেটে কর্তব্যরত বগুড়া ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মশিউর রহমান জানান, মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক মহাসড়কের আদর্শ কলেজ গেটে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব পাশে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা দুইজন পড়ে গেলে ঢাকাগামী একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মোকাদ্দেছ মারা যান এবং চালক ইমরান গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান জানান, ট্রাকটি আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত মোটরসাইকেল চালককে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।

বগুড়ায় ট্রাকচাপায় মোকাদ্দেছ আলী (২৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় মোটরসাইকেলচালক ইমরান হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বগুড়া শহরতলির তিনমাথা রেলগেটের অদূরে আদর্শ কলেজ গেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোকাদ্দেছ আলী দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ছোট ডাঙ্গাপাড়ার সোহরাব আলীর ছেলে।
তিনমাথা রেলগেটে কর্তব্যরত বগুড়া ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মশিউর রহমান জানান, মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক মহাসড়কের আদর্শ কলেজ গেটে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব পাশে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা দুইজন পড়ে গেলে ঢাকাগামী একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মোকাদ্দেছ মারা যান এবং চালক ইমরান গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান জানান, ট্রাকটি আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত মোটরসাইকেল চালককে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে