
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে নারী নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়ে ধরা খাওয়ার অভিযোগে আইনুল হক সবুজ নামে এক সার্জেন্টকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এছাড়া, নারী ক্যালেঙ্কারীর বিষয়েও তদন্তে নেমেছে জেলা পুলিশ।
প্রত্যাহার সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ রাজশাহী জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের বানেশ্বর ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও মিডিয়া মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেন, নারী ঘটিত একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।
স্থানীয়রা জানান, গত ৮ নভেম্বর বানেশ্বর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ একজন নারীকে নিয়ে তিনি তার ভাড়া বাড়িতে যান। বানেশ্বর ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশের ওই বাড়িতে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এলাকাবাসী বিষয়টি টের পান। এরপর তারা আইনুল হক সবুজসহ ওই নারীকে হাতে-নাতে আটক করেন। আটকের পর সার্জেন্ট সবুজ এলাকাবাসীর কাছে দাবি করেন, ওই নারী তার প্রেমিকা। তবে তার স্ত্রীও আছে। সে কারণে তিনি তার প্রেমিকাকে বিয়ে করতে পারবেন না। স্ত্রী থাকার কারণে প্রেমিকাও সবুজকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় ঘণ্টা দুয়েক পরে ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও সবুজকে সাতদিনের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন বাড়ির মালিক।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ বলেন, আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। তবে আমাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আমি পুলিশ লাইন্সে আছি। এর বেশিকিছু জানি না।’

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে নারী নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়ে ধরা খাওয়ার অভিযোগে আইনুল হক সবুজ নামে এক সার্জেন্টকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এছাড়া, নারী ক্যালেঙ্কারীর বিষয়েও তদন্তে নেমেছে জেলা পুলিশ।
প্রত্যাহার সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ রাজশাহী জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের বানেশ্বর ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও মিডিয়া মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেন, নারী ঘটিত একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।
স্থানীয়রা জানান, গত ৮ নভেম্বর বানেশ্বর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ একজন নারীকে নিয়ে তিনি তার ভাড়া বাড়িতে যান। বানেশ্বর ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশের ওই বাড়িতে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এলাকাবাসী বিষয়টি টের পান। এরপর তারা আইনুল হক সবুজসহ ওই নারীকে হাতে-নাতে আটক করেন। আটকের পর সার্জেন্ট সবুজ এলাকাবাসীর কাছে দাবি করেন, ওই নারী তার প্রেমিকা। তবে তার স্ত্রীও আছে। সে কারণে তিনি তার প্রেমিকাকে বিয়ে করতে পারবেন না। স্ত্রী থাকার কারণে প্রেমিকাও সবুজকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় ঘণ্টা দুয়েক পরে ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও সবুজকে সাতদিনের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন বাড়ির মালিক।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সার্জেন্ট আইনুল হক সবুজ বলেন, আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। তবে আমাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আমি পুলিশ লাইন্সে আছি। এর বেশিকিছু জানি না।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের ইমাম মো. আমির হোসেনের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোড়ামারা এলাকার রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৭ ঘণ্টা আগে