
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। মোবাইলটি ছিনিয়ে নিতে টানাটানির এক পর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাতে করা হয় বলে ধারণা পুলিশের।
নিহত গোপাল চন্দ্র পাল (৪৫) নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সন্ধ্যা সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেন ময়মনসিংহ রেলস্টেশনের তিন নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। এক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে রেলস্টেশনের অপর প্রান্তে পরিত্যক্ত বগির পেছনে গেলে ছিনতাইকারী তার বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মোবাইলটি ছিনিয়ে নিতে টানাটানির এক পর্যায়ে গোপালকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
ওসি জানান, চিৎকার শুনে অন্য যাত্রীরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ মর্গে আছে। ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে রেলের যাত্রী নিহতের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। মোবাইলটি ছিনিয়ে নিতে টানাটানির এক পর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাতে করা হয় বলে ধারণা পুলিশের।
নিহত গোপাল চন্দ্র পাল (৪৫) নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সন্ধ্যা সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেন ময়মনসিংহ রেলস্টেশনের তিন নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। এক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে রেলস্টেশনের অপর প্রান্তে পরিত্যক্ত বগির পেছনে গেলে ছিনতাইকারী তার বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মোবাইলটি ছিনিয়ে নিতে টানাটানির এক পর্যায়ে গোপালকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
ওসি জানান, চিৎকার শুনে অন্য যাত্রীরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ মর্গে আছে। ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে রেলের যাত্রী নিহতের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে