
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের নয়াপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অবিস্ফোরিত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিজিপির সদস্যরা এটি রেখে যায়।
বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড নয়াপাড়ায় অবিস্ফোরিত মর্টারশেলটি পাওয়া যায়।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে নয়া পাড়া এলাকায় শিশুরা পরিত্যক্ত অবস্থায় মর্টারশেলটি দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। এরপর বিজিবি পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি উদ্ধার করে তাদের কাছে নিয়ে যায়।
ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মাহাফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া জানান, অবিস্ফোরিত মর্টারশেলটি বিজিবি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সীমান্তের আরাকান রাজ্যে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দেশটির আরাকান আর্মি (এএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। এ ঘটনায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩২৮জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। এই ঘটনা মর্টারশেল এর আঘাতে ১ বাংলাদেশী নারি ও ১ রোহিঙ্গা নিহত হয়।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের নয়াপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অবিস্ফোরিত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিজিপির সদস্যরা এটি রেখে যায়।
বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড নয়াপাড়ায় অবিস্ফোরিত মর্টারশেলটি পাওয়া যায়।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে নয়া পাড়া এলাকায় শিশুরা পরিত্যক্ত অবস্থায় মর্টারশেলটি দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। এরপর বিজিবি পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি উদ্ধার করে তাদের কাছে নিয়ে যায়।
ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মাহাফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া জানান, অবিস্ফোরিত মর্টারশেলটি বিজিবি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সীমান্তের আরাকান রাজ্যে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দেশটির আরাকান আর্মি (এএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। এ ঘটনায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩২৮জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। এই ঘটনা মর্টারশেল এর আঘাতে ১ বাংলাদেশী নারি ও ১ রোহিঙ্গা নিহত হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে