
রাজশাহী ব্যুরো

পথ ভুলে পৃথকভাবে হারিয়ে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশু ও মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) শাহমখদুম থানা। শিশুটিকে বুধবার দুপুরে ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে মঙ্গলবার রাতে পৃথকভাবে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. জামিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সুজানগর শিল্পীপাড়া এলাকা হতে হারিয়ে যাওয়া মোসা. হাফসা নামে ৪ বছর বয়সের একটি শিশুকে ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম থানা। গত বুধবার দুপুরে শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশু মোসা. হাফসা রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সুজানগর শিল্পীপাড়ার হায়দার আলীর মেয়ে।
পুলিশের পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, বুধবার সকাল ১০টায় হাফসা বাড়ি থেকে খেলতে খেলতে হারিয়ে যায়। হাফসার মা আশপাশ এলাকাসহ আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেন। হাফসাকে কোথাও না পেয়ে নিকটবর্তী শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি অবহিত করেন। শাহমখদুম থানার ওসি ইসমাইল হোসেন থানার সকল টহল টিমকে নিখোঁজ শিশু হাফসাকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
এরপর থানার টহল টিমগুলো থানা এলাকার বিভিন্ন দিকে শিশু হাফসাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পরে থানার একটি টহল টিম দুপুর ১২টার দিকে শাহমখদুম থানার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে থেকে শিশু হাফসাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে শিশুটিকে বিকেলে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
শিশু হাফসার বাবা হায়দার আলী জানান, পুলিশের কারণেই আমার মেয়েকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিরে পেয়েছি। মেয়েকে ফিরে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
পুলিশের অপর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী মহানগরীর শাহ মখদুম থানার ওমরপুর পবা উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে মোসা. খাদিজা (৪৪) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করা হয়। বুধবার তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া মানসিক প্রতিবন্ধী মোসা. খাদিজা বগুড়া জেলার কাহালু থানার কাশিমালা গ্রামের মো. মহসিন আলীর স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পায় শাহমখদুম থানার ওমরপুর পবা উপজেলা পরিষদের সামনে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করছেন। এর প্রেক্ষিতে তারা রাত ১১ টায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই নারীর নাম ঠিকানা জানতে চান।
তিনি নাম ঠিকানা বলতে না পারলে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তার নাম মোসা. খাদিজা ও বাড়ি বগুড়া জেলায়। এরপর তিনি ওই নারীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করেন।
সংবাদ পেয়ে বুধবার বিকেলে খাদিজার স্বামী মো. মহসিন আলী শাহমখদুম থানায় আসলে ওই নারীকে তার স্বামীর কাছে তুলে দেন ওসি। খাদিজার পরিবার খাদিজাকে ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মানসিক প্রতিবন্ধী খাদিজার স্বামী মহসিন জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে কবিরাজের কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন খাদিজা। রাত হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পাননি।

পথ ভুলে পৃথকভাবে হারিয়ে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশু ও মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) শাহমখদুম থানা। শিশুটিকে বুধবার দুপুরে ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে মঙ্গলবার রাতে পৃথকভাবে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. জামিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সুজানগর শিল্পীপাড়া এলাকা হতে হারিয়ে যাওয়া মোসা. হাফসা নামে ৪ বছর বয়সের একটি শিশুকে ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম থানা। গত বুধবার দুপুরে শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশু মোসা. হাফসা রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সুজানগর শিল্পীপাড়ার হায়দার আলীর মেয়ে।
পুলিশের পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, বুধবার সকাল ১০টায় হাফসা বাড়ি থেকে খেলতে খেলতে হারিয়ে যায়। হাফসার মা আশপাশ এলাকাসহ আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেন। হাফসাকে কোথাও না পেয়ে নিকটবর্তী শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি অবহিত করেন। শাহমখদুম থানার ওসি ইসমাইল হোসেন থানার সকল টহল টিমকে নিখোঁজ শিশু হাফসাকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
এরপর থানার টহল টিমগুলো থানা এলাকার বিভিন্ন দিকে শিশু হাফসাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পরে থানার একটি টহল টিম দুপুর ১২টার দিকে শাহমখদুম থানার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে থেকে শিশু হাফসাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে শিশুটিকে বিকেলে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
শিশু হাফসার বাবা হায়দার আলী জানান, পুলিশের কারণেই আমার মেয়েকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিরে পেয়েছি। মেয়েকে ফিরে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
পুলিশের অপর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী মহানগরীর শাহ মখদুম থানার ওমরপুর পবা উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে মোসা. খাদিজা (৪৪) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করা হয়। বুধবার তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া মানসিক প্রতিবন্ধী মোসা. খাদিজা বগুড়া জেলার কাহালু থানার কাশিমালা গ্রামের মো. মহসিন আলীর স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পায় শাহমখদুম থানার ওমরপুর পবা উপজেলা পরিষদের সামনে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করছেন। এর প্রেক্ষিতে তারা রাত ১১ টায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই নারীর নাম ঠিকানা জানতে চান।
তিনি নাম ঠিকানা বলতে না পারলে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তার নাম মোসা. খাদিজা ও বাড়ি বগুড়া জেলায়। এরপর তিনি ওই নারীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করেন।
সংবাদ পেয়ে বুধবার বিকেলে খাদিজার স্বামী মো. মহসিন আলী শাহমখদুম থানায় আসলে ওই নারীকে তার স্বামীর কাছে তুলে দেন ওসি। খাদিজার পরিবার খাদিজাকে ফিরে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মানসিক প্রতিবন্ধী খাদিজার স্বামী মহসিন জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে কবিরাজের কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন খাদিজা। রাত হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পাননি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে