
রাজশাহী প্রতিনিধি

তরুণীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর দায়ে এক যুবককে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে নয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী সাইবার ট্রাইবুন্যালের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় দেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পৃথক তিনটি ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান তুহিন (২৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চাতরা চৌদ্দমাথা গ্রামের বেলাল উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তুহিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি মামলার বরাত দিয়ে জানান, এই মামলার বাদী ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই। তাঁরা দুজনে রাজশাহী নিউ গর্ভমেন্ট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। সেখানে তাঁদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। আসামি তুহিন ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করেন। একই সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দিলেও তিনি না করেন।
এরপর ২০২২ সালের নভেম্বরে তরুণীর বিয়ে হয় অন্য এক যুবকের সঙ্গে। কিন্ত তুহিন তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। তরুণীর বেশকিছু ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করে ফেসবুকে তা পোস্ট করতে থাকে। যা সে ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাল করে। ২০২২ সালের নভেম্বরের ২০ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত একটি ফেইক আইডি খুলে আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি পোস্ট করেন তুহিন। এ ছাড়া তরুণীর স্বামীকেও আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি দেন। এতে তরুণী সামাজিকভাবে অপমাণিত হয়। দুই পরিবার ও এলাকায় অস্থিরতা শুরু হয়।
এ নিয়ে ওই তরুণী বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি মিজানুর রহমান তুহিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আসামি তুহিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরো বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৫(২) ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আইনটির ২৬ (২) ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২৯ (২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অনাদায়ে এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে বলেও রায়ে জানানো হয়।

তরুণীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর দায়ে এক যুবককে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে নয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী সাইবার ট্রাইবুন্যালের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় দেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পৃথক তিনটি ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান তুহিন (২৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চাতরা চৌদ্দমাথা গ্রামের বেলাল উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তুহিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি মামলার বরাত দিয়ে জানান, এই মামলার বাদী ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই। তাঁরা দুজনে রাজশাহী নিউ গর্ভমেন্ট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। সেখানে তাঁদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। আসামি তুহিন ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করেন। একই সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দিলেও তিনি না করেন।
এরপর ২০২২ সালের নভেম্বরে তরুণীর বিয়ে হয় অন্য এক যুবকের সঙ্গে। কিন্ত তুহিন তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। তরুণীর বেশকিছু ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করে ফেসবুকে তা পোস্ট করতে থাকে। যা সে ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাল করে। ২০২২ সালের নভেম্বরের ২০ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত একটি ফেইক আইডি খুলে আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি পোস্ট করেন তুহিন। এ ছাড়া তরুণীর স্বামীকেও আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি দেন। এতে তরুণী সামাজিকভাবে অপমাণিত হয়। দুই পরিবার ও এলাকায় অস্থিরতা শুরু হয়।
এ নিয়ে ওই তরুণী বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি মিজানুর রহমান তুহিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আসামি তুহিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরো বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৫(২) ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আইনটির ২৬ (২) ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২৯ (২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অনাদায়ে এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে বলেও রায়ে জানানো হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে