
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করতে না পারায় এবং সময় বাড়ানোর পরও কাজ শেষ না হওয়ায় এ অর্থ ফেরত যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। বরাদ্দের অর্থ ফেরত চলে যাওয়ায় এসব নির্মাণকাজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো।
স্থানীয় এলজিইডি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাদের তত্ত্বাবধানে নান্দাইল উপজেলায় পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফটকসহ সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের আলাদা কক্ষ নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ শেষ করতে পারেননি। পরে নানা কারণ দেখিয়ে ঠিকাদাররা সময় বাড়ানোর জন্য একাধিকবার আবেদন করেন। তবে বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পরও অনেক প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো কোনো প্রকল্পের কাজ ২০ শতাংশও সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে পিইডিপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এলজিইডির প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল প্রকল্পের বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ফেরত যাওয়া অর্থের পরিমাণ পাঁচ কোটি টাকার বেশি হবে। এসব প্রকল্প পুনরায় বাস্তবায়ন করতে হলে নতুন করে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কাজ করতে হবে।
সরেজমিনে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের কুরাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চণ্ডীপাশা মডেল সরকারি বিদ্যালয়, ধীতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরপুর বালুয়া পুকুর পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর ভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ার চিত্র পাওয়া গেছে।
জাহাঙ্গীরপুর বালুয়া পুকুর পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, ভবনের অভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
একই ইউনিয়নের দেউলডাংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটি অর্ধনির্মিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম জানান, ভবনের দরজা-জানালা লাগানো হলেও এখনো প্লাস্টারের কাজ করা হয়নি।
হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের আলাদা কক্ষ নির্মাণের কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বেগম নুরুন্নাহার জানান, তিনি নিয়মিত এলজিইডি অফিসে গিয়ে নির্মাণকাজের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাজের কোনো অগ্রগতি হয়নি।
চরভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, চারতলা ভবনে দরজা-জানালা লাগানো হলেও নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। ঠিকাদার কেচি গেটে তালা মেরে ভবনটি ফেলে রেখেছেন।
কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী ভূইয়া জানান, সীমানাপ্রাচীরের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় বিদ্যালয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করাতে পারছেন না।
পুরহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান ফকির জানান, বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার আমরু মিয়া জানান, তিনি কয়েকটি বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ পেয়েছেন। সবগুলো কাজই প্রায় শেষের পথে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঠিকাদার জানান, নিজেদের পুঁজি বিনিয়োগ করে তারা নির্মাণকাজ করছেন। এখন যদি বরাদ্দের অর্থ ফেরত চলে যায়, তাহলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করতে না পারায় এবং সময় বাড়ানোর পরও কাজ শেষ না হওয়ায় এ অর্থ ফেরত যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। বরাদ্দের অর্থ ফেরত চলে যাওয়ায় এসব নির্মাণকাজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো।
স্থানীয় এলজিইডি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাদের তত্ত্বাবধানে নান্দাইল উপজেলায় পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফটকসহ সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের আলাদা কক্ষ নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ শেষ করতে পারেননি। পরে নানা কারণ দেখিয়ে ঠিকাদাররা সময় বাড়ানোর জন্য একাধিকবার আবেদন করেন। তবে বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পরও অনেক প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো কোনো প্রকল্পের কাজ ২০ শতাংশও সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে পিইডিপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এলজিইডির প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল প্রকল্পের বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ফেরত যাওয়া অর্থের পরিমাণ পাঁচ কোটি টাকার বেশি হবে। এসব প্রকল্প পুনরায় বাস্তবায়ন করতে হলে নতুন করে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কাজ করতে হবে।
সরেজমিনে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের কুরাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চণ্ডীপাশা মডেল সরকারি বিদ্যালয়, ধীতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরপুর বালুয়া পুকুর পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর ভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ার চিত্র পাওয়া গেছে।
জাহাঙ্গীরপুর বালুয়া পুকুর পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, ভবনের অভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
একই ইউনিয়নের দেউলডাংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটি অর্ধনির্মিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম জানান, ভবনের দরজা-জানালা লাগানো হলেও এখনো প্লাস্টারের কাজ করা হয়নি।
হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের আলাদা কক্ষ নির্মাণের কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বেগম নুরুন্নাহার জানান, তিনি নিয়মিত এলজিইডি অফিসে গিয়ে নির্মাণকাজের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাজের কোনো অগ্রগতি হয়নি।
চরভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, চারতলা ভবনে দরজা-জানালা লাগানো হলেও নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। ঠিকাদার কেচি গেটে তালা মেরে ভবনটি ফেলে রেখেছেন।
কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী ভূইয়া জানান, সীমানাপ্রাচীরের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় বিদ্যালয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করাতে পারছেন না।
পুরহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান ফকির জানান, বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার আমরু মিয়া জানান, তিনি কয়েকটি বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ পেয়েছেন। সবগুলো কাজই প্রায় শেষের পথে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঠিকাদার জানান, নিজেদের পুঁজি বিনিয়োগ করে তারা নির্মাণকাজ করছেন। এখন যদি বরাদ্দের অর্থ ফেরত চলে যায়, তাহলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
২ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
২ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
২ দিন আগে