
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় নিচু জমির বোরো ধান কাটা শুরু হলেও জ্বালানি তেল সংকটে ধান মাড়াই কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মাড়াইকলের মালিকরা প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে না পারায় কৃষকদের ধান সময়মতো মাড়াই করতে পারছেন না।
এতে কৃষকদের কাটা ধান মাঠেই পড়ে থাকছে, অনেকে আবার তা বাড়িতে নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে এস্কেভেটর (ভেকু) চালকরাও দিনের বেশিরভাগ সময় কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে পুকুর খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
গত কয়েকদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। জ্বালানি সংকটে বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক, মাড়াইকলের মালিক ও ভেকু চালকরা।
নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন জানান, উপজেলার ১৩টি ইউনয়নে মোট ২২ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকার নিচু জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে।
জ্বালানি তেলের সংকটে মাড়াই কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা হয়েছে। সমস্যা সমাধানে মাড়াইকল মালিকরা যাতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন বিলের জমিতে আবাদ করা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে আরও বৃষ্টির আশঙ্কায় কৃষকরা নিচু জমির ধান দ্রুত কেটে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
ঝালুয়া গ্রামের কৃষক আবদুল হেলিম (৫৫) জানান, গজারিয়া বিলে তার কিছু ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, কিছু ধান রক্ষা করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘মাড়াইকল পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে, আর পেলেও বেশি টাকা দিতে হচ্ছে।’
অন্যদিকে তসরা গ্রামের মাড়াইকল মালিক মো. আজিজুল (৪৮) জানান, তার মেশিন চালাতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও পাম্পে দুই লিটারের বেশি দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘শ্রমিক খরচ ও জ্বালানির দাম মিলিয়ে মেশিন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বেশি দামে স্থানীয় বাজার থেকে ডিজেল কিনতে হচ্ছে।’
আমিনুল হক নামের এক কৃষক জানান, ধান কাটার পর তিনি ভেবেছিলেন রাস্তার পাশেই মাড়াই করবেন। কিন্তু সময়মতো মাড়াইকল পাননি। বাড়ির কাছে একটি মাড়াইকলের খোঁজ পেয়েছেন। তাই কাটা ধান গাড়িতে করে তিনি বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।
এস্কেভেটর চালক রুবেল জানান, তিনি নান্দাইলের খামারগাঁও গ্রামে মৎস্য খামারের পুকুর কাটতে এসেছিলেন। তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় গত তিনদিন ধরে খননকাজ বন্ধ রয়েছে। এখন নানা জায়গায় জ্বালানি তেলের খোঁজ করছেন। আগে প্রতি ঘন্টায় ১ হাজার ২০০ টাকা ভাড়া নিতেন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পাওয়ায় এখন বেশি টাকা নিতে হবে।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত বলেন, ‘নান্দাইলে পরিবশেকদের কাছে পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রয়েছে। মাড়াইকলের মালিক বা ভেকু চালকদের জ্বালানি সংকট হলে আমাকে জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় নিচু জমির বোরো ধান কাটা শুরু হলেও জ্বালানি তেল সংকটে ধান মাড়াই কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মাড়াইকলের মালিকরা প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে না পারায় কৃষকদের ধান সময়মতো মাড়াই করতে পারছেন না।
এতে কৃষকদের কাটা ধান মাঠেই পড়ে থাকছে, অনেকে আবার তা বাড়িতে নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে এস্কেভেটর (ভেকু) চালকরাও দিনের বেশিরভাগ সময় কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে পুকুর খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
গত কয়েকদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। জ্বালানি সংকটে বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক, মাড়াইকলের মালিক ও ভেকু চালকরা।
নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন জানান, উপজেলার ১৩টি ইউনয়নে মোট ২২ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকার নিচু জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে।
জ্বালানি তেলের সংকটে মাড়াই কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা হয়েছে। সমস্যা সমাধানে মাড়াইকল মালিকরা যাতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন বিলের জমিতে আবাদ করা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে আরও বৃষ্টির আশঙ্কায় কৃষকরা নিচু জমির ধান দ্রুত কেটে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
ঝালুয়া গ্রামের কৃষক আবদুল হেলিম (৫৫) জানান, গজারিয়া বিলে তার কিছু ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, কিছু ধান রক্ষা করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘মাড়াইকল পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে, আর পেলেও বেশি টাকা দিতে হচ্ছে।’
অন্যদিকে তসরা গ্রামের মাড়াইকল মালিক মো. আজিজুল (৪৮) জানান, তার মেশিন চালাতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও পাম্পে দুই লিটারের বেশি দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘শ্রমিক খরচ ও জ্বালানির দাম মিলিয়ে মেশিন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বেশি দামে স্থানীয় বাজার থেকে ডিজেল কিনতে হচ্ছে।’
আমিনুল হক নামের এক কৃষক জানান, ধান কাটার পর তিনি ভেবেছিলেন রাস্তার পাশেই মাড়াই করবেন। কিন্তু সময়মতো মাড়াইকল পাননি। বাড়ির কাছে একটি মাড়াইকলের খোঁজ পেয়েছেন। তাই কাটা ধান গাড়িতে করে তিনি বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।
এস্কেভেটর চালক রুবেল জানান, তিনি নান্দাইলের খামারগাঁও গ্রামে মৎস্য খামারের পুকুর কাটতে এসেছিলেন। তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় গত তিনদিন ধরে খননকাজ বন্ধ রয়েছে। এখন নানা জায়গায় জ্বালানি তেলের খোঁজ করছেন। আগে প্রতি ঘন্টায় ১ হাজার ২০০ টাকা ভাড়া নিতেন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পাওয়ায় এখন বেশি টাকা নিতে হবে।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত বলেন, ‘নান্দাইলে পরিবশেকদের কাছে পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রয়েছে। মাড়াইকলের মালিক বা ভেকু চালকদের জ্বালানি সংকট হলে আমাকে জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে যাতে মূল্যস্ফীতির প্রভাব বিভিন্ন সেক্টরে না পড়ে সেজন্য সরকার সচেতন আছে জানিয়ে তিনি বলেন, "কৃষককে ডিজেলের জন্য সরকার ভর্তুকি দেয়। অন্যান্য ক্ষেত্রেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখবে।"
১ দিন আগে
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের অধীনে কর্মরত ২৯ জন শিক্ষককে অন্য একাধিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাকে লক্ষ্য করে পাঁচ রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিম আক্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী পরশ প্রধানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক মাস আগে মিমের বাবা তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি মিম বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে অভিমান তৈরি হয়।
১ দিন আগে