
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দাঁড়াশ সাপ ভেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর ও প্রাণঘাতী ওয়ালস ক্রেট (Wall’s Krait) সাপ ধরে চার দিন বস্তাবন্দি করে রেখেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাপটি ধরার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় উদ্ধারকারী দল সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করেছে।
আজ শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাইদগাঁও গ্রাম থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জে’র সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন সংগঠনটির ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান। পরে সাপটিকে ময়মনসিংহে নিয়ে গিয়ে বিকেলেই একটি নির্জন বনে অবমুক্ত করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাকনহাটি এলাকার কাঁচামাটিয়া নদীর পাড়ে কয়েকজন বাসিন্দা সাপটির দেখা পান। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় তারা সেটিকে ধরে একটি বস্তায় ভরে রাখেন।
ভাইদগাঁও গ্রামের কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, গত চার দিন তিনি বস্তাবন্দি সাপটিকে টিকটিকি ও ব্যাঙ খেতে দিয়েছেন। তাদের ধারণা ছিল, এটি একটি নিরীহ দাঁড়াশ সাপ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সাপটি ধরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের নজরে আসে। ভিডিও দেখে তারা বুঝতে পারেন, এটি সাধারণ কোনো সাপ নয়; বরং অত্যন্ত বিষধর ওয়ালস ক্রেট। এরপর শনিবার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করে।
কৃষক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরা বুঝতেই পারিনি এটি এত বিষধর সাপ। দাঁড়াশ ভেবেই ধরেছিলাম। পরে জনতার ঈশ্বরগঞ্জের সদস্যদের মাধ্যমে জানতে পারি এটি অত্যন্ত বিষধর। তখন রেসকিউ টিমকে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে নিরাপদে সাপটি নিয়ে যান।’
ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান জানান, উদ্ধার হওয়া সাপটির নাম ওয়ালস ক্রেট। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘Bungarus Walli’। এটি কালাচ বা শঙ্খিনী সাপ পরিবারের সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ।
তিনি বলেন, এ সাপের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিক, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে সরাসরি আঘাত হানে। সাপটি সাধারণত নিশাচর। রাতে খাবারের সন্ধানে বের হলেও দিনের বেলায় ধানক্ষেত, জলাশয়ের আশপাশ, ঝোপঝাড় কিংবা গর্তে লুকিয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রায়ই এটিকে ভুল শনাক্ত করেন।
মাহমুদুল হাসান আরও বলেন, ওয়ালস ক্রেটের কামড়ে শুরুতে তেমন ব্যথা বা ফোলাভাব নাও হতে পারে। কিন্তু দ্রুত বিষক্রিয়া শুরু হয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশি অবশ হয়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই সাপে কামড়ালে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ছাড়া বিষধর বা অজানা কোনো সাপ ধরার চেষ্টা না করারও পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি সুস্থ অবস্থায় ছিল। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের একটি নির্জন বনে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দাঁড়াশ সাপ ভেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর ও প্রাণঘাতী ওয়ালস ক্রেট (Wall’s Krait) সাপ ধরে চার দিন বস্তাবন্দি করে রেখেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাপটি ধরার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় উদ্ধারকারী দল সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করেছে।
আজ শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাইদগাঁও গ্রাম থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জে’র সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন সংগঠনটির ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান। পরে সাপটিকে ময়মনসিংহে নিয়ে গিয়ে বিকেলেই একটি নির্জন বনে অবমুক্ত করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাকনহাটি এলাকার কাঁচামাটিয়া নদীর পাড়ে কয়েকজন বাসিন্দা সাপটির দেখা পান। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় তারা সেটিকে ধরে একটি বস্তায় ভরে রাখেন।
ভাইদগাঁও গ্রামের কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, গত চার দিন তিনি বস্তাবন্দি সাপটিকে টিকটিকি ও ব্যাঙ খেতে দিয়েছেন। তাদের ধারণা ছিল, এটি একটি নিরীহ দাঁড়াশ সাপ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সাপটি ধরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের নজরে আসে। ভিডিও দেখে তারা বুঝতে পারেন, এটি সাধারণ কোনো সাপ নয়; বরং অত্যন্ত বিষধর ওয়ালস ক্রেট। এরপর শনিবার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করে।
কৃষক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরা বুঝতেই পারিনি এটি এত বিষধর সাপ। দাঁড়াশ ভেবেই ধরেছিলাম। পরে জনতার ঈশ্বরগঞ্জের সদস্যদের মাধ্যমে জানতে পারি এটি অত্যন্ত বিষধর। তখন রেসকিউ টিমকে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে নিরাপদে সাপটি নিয়ে যান।’
ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান জানান, উদ্ধার হওয়া সাপটির নাম ওয়ালস ক্রেট। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘Bungarus Walli’। এটি কালাচ বা শঙ্খিনী সাপ পরিবারের সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিষধর সাপ।
তিনি বলেন, এ সাপের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিক, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে সরাসরি আঘাত হানে। সাপটি সাধারণত নিশাচর। রাতে খাবারের সন্ধানে বের হলেও দিনের বেলায় ধানক্ষেত, জলাশয়ের আশপাশ, ঝোপঝাড় কিংবা গর্তে লুকিয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা দাঁড়াশ সাপের মতো হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রায়ই এটিকে ভুল শনাক্ত করেন।
মাহমুদুল হাসান আরও বলেন, ওয়ালস ক্রেটের কামড়ে শুরুতে তেমন ব্যথা বা ফোলাভাব নাও হতে পারে। কিন্তু দ্রুত বিষক্রিয়া শুরু হয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশি অবশ হয়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই সাপে কামড়ালে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ছাড়া বিষধর বা অজানা কোনো সাপ ধরার চেষ্টা না করারও পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি সুস্থ অবস্থায় ছিল। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের একটি নির্জন বনে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে