
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও সম্প্রতি কটূক্তিমূলক স্লোগানের প্রতিবাদে নেত্রকোনার পূর্বধলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৪ জুলাই) মিছিলটি পূর্বধলা বাজার প্রদক্ষিণ করে পূর্বধলা রেলওয়ে ক্রসিংয়ে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে ঢাকার মিটফোর্ডে এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি গুপ্তচক্রের মাধ্যমে পরিকল্পিত মব তৈরির অপচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানান বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু তাহের তালুকদারের নির্দেশনায় জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুর রহিম তালুকদার, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান ফকির, আবু সাঈদ, আল-মামুন, শহীদ মিয়া, হাবিবুর রহমান, সালাউদ্দিন আহমেদ, নওয়াব আলী, আবুল হাসান বেপারী, কৃষক দলের সভাপতি মজিবর রহমান, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খোকন আকন্দ, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু তাহের ফকির, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হানিফ রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মুন্না, ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক তুরাগ, উলামা দলের সভাপতি মাওলানা সাইদুর, তাঁতী দলের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ শতাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও সম্প্রতি কটূক্তিমূলক স্লোগানের প্রতিবাদে নেত্রকোনার পূর্বধলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৪ জুলাই) মিছিলটি পূর্বধলা বাজার প্রদক্ষিণ করে পূর্বধলা রেলওয়ে ক্রসিংয়ে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে ঢাকার মিটফোর্ডে এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি গুপ্তচক্রের মাধ্যমে পরিকল্পিত মব তৈরির অপচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানান বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু তাহের তালুকদারের নির্দেশনায় জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুর রহিম তালুকদার, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান ফকির, আবু সাঈদ, আল-মামুন, শহীদ মিয়া, হাবিবুর রহমান, সালাউদ্দিন আহমেদ, নওয়াব আলী, আবুল হাসান বেপারী, কৃষক দলের সভাপতি মজিবর রহমান, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খোকন আকন্দ, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু তাহের ফকির, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হানিফ রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মুন্না, ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক তুরাগ, উলামা দলের সভাপতি মাওলানা সাইদুর, তাঁতী দলের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ শতাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ইবরাই শাহ মাজারে প্রতি বছরই বাউল গানের আসর আয়োজন করা হয়। এবারও তিন দিনের আসর আয়োজন করা হয়েছিল। রোববার রাতে আসর চলাকালে প্রায় এক শ লোক সেখানে দলবদ্ধভাবে হামলা চালায়। শিল্পীদের হাত থেকে বাদ্যযন্ত্র কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে, সাউন্ড সিস্টেমও ভেঙেচুরে ফেলে। পরে তারা
১ দিন আগে
ওই মারামারির জের ধরে সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। খবর পেয়ে রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় গোলাগুলি ও বাড়ি ভাঙচুর হয়।
২ দিন আগে
ওসমান গনির বাবা জানান, রাতে চারজন সন্ত্রাসী অস্ত্রহাতে ঘরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়লে ওসমান হাতে ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তাকে বাঁচাতে তার মা ছুটে এলে তিনিও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। গুলি চালিয়ে অস্ত্রধারীরা দ্রুত পালিয়ে যান।
২ দিন আগে