
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েই ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হলেন।
নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বাহাদুর হাউজের চৌধুরী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিবারের বড় ভাই প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর তার ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী এবার একই আসনে জয় পেলেন।
প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতিও ছিলেন। পরে ময়মনসিংহ জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতি হন। তবে ১৯৯৬ সালের পর তিনি আর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকেননি বলে জানা যায়। ২০২৩ ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি মারা যান।
তার একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিবিসিতে তথ্য প্রযুক্তিবিদ হিসেবে চাকরি করছিলেন। পরে দেশে ফিরে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনটিও ছিল ব্যতিক্রমী ও ঘটনাবহুল। দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পরও এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাননি সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নুরুল কবীর শাহীন। পরে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যোগ দিয়ে ওই দলের মনোনয়নে নির্বাচন করেন। তবে বিএনপি প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুর কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন তিনি। লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুও এবারের নির্বাচন প্রথমবার অংশ নিয়েই সংসদ সদস্য হলেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েই ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হলেন।
নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বাহাদুর হাউজের চৌধুরী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিবারের বড় ভাই প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর তার ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী এবার একই আসনে জয় পেলেন।
প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতিও ছিলেন। পরে ময়মনসিংহ জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতি হন। তবে ১৯৯৬ সালের পর তিনি আর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকেননি বলে জানা যায়। ২০২৩ ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি মারা যান।
তার একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিবিসিতে তথ্য প্রযুক্তিবিদ হিসেবে চাকরি করছিলেন। পরে দেশে ফিরে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনটিও ছিল ব্যতিক্রমী ও ঘটনাবহুল। দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পরও এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাননি সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নুরুল কবীর শাহীন। পরে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যোগ দিয়ে ওই দলের মনোনয়নে নির্বাচন করেন। তবে বিএনপি প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুর কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন তিনি। লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুও এবারের নির্বাচন প্রথমবার অংশ নিয়েই সংসদ সদস্য হলেন।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
২১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
২ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে