
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুর কোতোয়ালি থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।
বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম। ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব। তিনি বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত রাকিবুল ইসলামের অভিযোগ, কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আজাদ রহমান। এ ঘটনার পর ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঈদের আগে নগরের সিও বাজার এলাকা থেকে তরুণ-তরুণী নিখোঁজ হলে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় নেওয়া হয়। দুই পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। তাদের সঙ্গে রাকিবুল ইসলামও ছিলেন।
রাকিবুল ইসলামের ভাষ্য, থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করতে দেখে তিনি আপত্তি জানান। এ সময় তিনি দলের এক নেতাকে বিষয়টি জানাতে মোবাইল ফোন বের করলে ওসি ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন। এতে তিনি মাথা ও চোখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হন। পরে পুলিশ সদস্যরা তার শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন।
ঘটনার খবর ছড়ালে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে রাকিবুল ইসলাম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘এখানে এসআই আমাকে রাইফেল দিয়ে মারল। বারবার তাদের অনুরোধ করেছি, পরিচয় দিয়েছি। তারপরও তারা আমাকে বন্দুক দিয়ে মারছে। আমার মোবাইল ফোন দুইটা কেড়ে নিয়েছে। পুলিশের চরিত্র এখনো ফ্যাসিবাদীর মত রয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
ঘটনার সময় থানায় উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছে হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ রাকিবকে মারধর করেছে। আমাকেও আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। ওই ছেলে-মেয়েটিকে মারধর করতে দেখে বাধা দেওয়াই আমাদের অপরাধ হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আজাদ রহমান বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া প্রেমিক যুগলের দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।’
রাকিবুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাইরে চিৎকার-চেঁচামেচি ও মারামারি হচ্ছিল। তিনি হয়তো অন্য কারও হাতে আহত হয়েছেন। তিনি মনে করতে পারেন, আমার ইন্ধনে এটা হয়েছে। অনেক সময় আম ছিলতে গিয়েও তো রক্ত বের হয়।’
ঘটনার দিকে রাতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মিডিয়া সেল জানায়, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা এবং এসআই মাসুদ রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। আরএমপির কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওসি আজাদ রহমান ও কনস্টেবল বাসুদেবকেও প্রত্যাহার করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে প্রধান করে উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি) সুকুমার রায়কে নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষভাবে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ করবে বলে জানিয়েছে মহানগর পুলিশ। অন্যদিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম বলেন, ‘জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তারা। প্রয়োজনে থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও দেওয়া হতে পারে।’

রংপুর কোতোয়ালি থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।
বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম। ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব। তিনি বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত রাকিবুল ইসলামের অভিযোগ, কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আজাদ রহমান। এ ঘটনার পর ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঈদের আগে নগরের সিও বাজার এলাকা থেকে তরুণ-তরুণী নিখোঁজ হলে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় নেওয়া হয়। দুই পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। তাদের সঙ্গে রাকিবুল ইসলামও ছিলেন।
রাকিবুল ইসলামের ভাষ্য, থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করতে দেখে তিনি আপত্তি জানান। এ সময় তিনি দলের এক নেতাকে বিষয়টি জানাতে মোবাইল ফোন বের করলে ওসি ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন। এতে তিনি মাথা ও চোখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হন। পরে পুলিশ সদস্যরা তার শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন।
ঘটনার খবর ছড়ালে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে রাকিবুল ইসলাম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘এখানে এসআই আমাকে রাইফেল দিয়ে মারল। বারবার তাদের অনুরোধ করেছি, পরিচয় দিয়েছি। তারপরও তারা আমাকে বন্দুক দিয়ে মারছে। আমার মোবাইল ফোন দুইটা কেড়ে নিয়েছে। পুলিশের চরিত্র এখনো ফ্যাসিবাদীর মত রয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
ঘটনার সময় থানায় উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছে হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ রাকিবকে মারধর করেছে। আমাকেও আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। ওই ছেলে-মেয়েটিকে মারধর করতে দেখে বাধা দেওয়াই আমাদের অপরাধ হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আজাদ রহমান বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া প্রেমিক যুগলের দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।’
রাকিবুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাইরে চিৎকার-চেঁচামেচি ও মারামারি হচ্ছিল। তিনি হয়তো অন্য কারও হাতে আহত হয়েছেন। তিনি মনে করতে পারেন, আমার ইন্ধনে এটা হয়েছে। অনেক সময় আম ছিলতে গিয়েও তো রক্ত বের হয়।’
ঘটনার দিকে রাতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মিডিয়া সেল জানায়, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা এবং এসআই মাসুদ রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। আরএমপির কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওসি আজাদ রহমান ও কনস্টেবল বাসুদেবকেও প্রত্যাহার করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে প্রধান করে উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি) সুকুমার রায়কে নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষভাবে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ করবে বলে জানিয়েছে মহানগর পুলিশ। অন্যদিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম বলেন, ‘জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তারা। প্রয়োজনে থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও দেওয়া হতে পারে।’

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে