
খুলনা প্রতিনিধি

মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবি আদায়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর সমাধান না আসায় আগামী ১৪ জুন ভোর ৬টা থেকে ধর্মঘট শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন নেতারা।
ধর্মঘট শুরু হলে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলায় সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সরকারি নীতিমালার বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত বাস চলাচল বন্ধ করা, জেলা টার্মিনালে একটি নির্ধারিত কাউন্টার রেখে পথে পথে গড়ে ওঠা অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ করা, আঞ্চলিক মহাসড়কে মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন ও অটোরিকশাসহ অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করা এবং দূরপাল্লার বাসে নীতিমালাবহির্ভূতভাবে লোকাল যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
শহীদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কপথে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে তার চেয়ে বেশি বাস পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচলও অব্যাহত রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে ২০২৪ সাল থেকে সাতটি বাস মালিক সমিতি ও সাতটি শ্রমিক ইউনিয়ন প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে।
তিনি বলেন, “প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। তাই গত ২০ মে পাঁচ জেলার মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ সভায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকেও লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।” তার দাবি, ১১ জুনের মধ্যে সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না দেখায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।
এদিকে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেছেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিগুলো সম্পর্কে প্রশাসন অবগত রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বৈঠকও হয়েছে।
তিনি বলেন, “১৪ জুন থেকে যাতে পরিবহন ধর্মঘট শুরু না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা আশা করছি, তার আগেই আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবি আদায়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর সমাধান না আসায় আগামী ১৪ জুন ভোর ৬টা থেকে ধর্মঘট শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন নেতারা।
ধর্মঘট শুরু হলে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলায় সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সরকারি নীতিমালার বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত বাস চলাচল বন্ধ করা, জেলা টার্মিনালে একটি নির্ধারিত কাউন্টার রেখে পথে পথে গড়ে ওঠা অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ করা, আঞ্চলিক মহাসড়কে মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন ও অটোরিকশাসহ অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করা এবং দূরপাল্লার বাসে নীতিমালাবহির্ভূতভাবে লোকাল যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
শহীদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কপথে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে তার চেয়ে বেশি বাস পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচলও অব্যাহত রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে ২০২৪ সাল থেকে সাতটি বাস মালিক সমিতি ও সাতটি শ্রমিক ইউনিয়ন প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে।
তিনি বলেন, “প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। তাই গত ২০ মে পাঁচ জেলার মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ সভায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকেও লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।” তার দাবি, ১১ জুনের মধ্যে সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না দেখায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।
এদিকে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেছেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিগুলো সম্পর্কে প্রশাসন অবগত রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বৈঠকও হয়েছে।
তিনি বলেন, “১৪ জুন থেকে যাতে পরিবহন ধর্মঘট শুরু না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা আশা করছি, তার আগেই আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে