
বাগেরহাট প্রতিনিধি

ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (ম্যাটস) আবাসিক ছাত্রী নিবাসে গণচুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভবনে প্রবেশ করে কমপক্ষে ১৫টি রুমের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
শহরের মুণিগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত চারতলা এই ছাত্রী নিবাসে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী থাকেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রথম থেকে চতুর্থ তলার অন্তত ১৫টি কক্ষের তালা ভাঙা, ভেতরে সবকিছু তছনছ করে রাখা হয়েছে। চোরের দল কক্ষগুলো থেকে নগদ অর্থ, জামাকাপড়, স্বর্ণালংকার, ব্রডব্যান্ড রাউটার, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে।
ছাত্রী নিবাসের সভাপতি নাইমা ইসলাম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যাওয়ায় হলটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। বাড়িতে বসে ফোনে চুরির খবর পেয়ে তিনি বিষয়টি ম্যাটস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান।
ম্যাটসের আবাসিক ছাত্র নিবাসের শিক্ষার্থী তন্ময় দাস জয় ও অন্তর শীল জানান, পরপর তিন দিনে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন তারা। প্রথম দিন নিচতলার তিনটি কক্ষে চুরি হয়, পরের দুই দিন দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলাতেও চুরি সংঘটিত হয়।
তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট ও নৈশপ্রহরীর অভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় চোরেরা সহজেই প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। ছাত্রী নিবাসের কর্তৃপক্ষের কাছে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তারা।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভবনে প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। চুরি হওয়া মালামালের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (ম্যাটস) আবাসিক ছাত্রী নিবাসে গণচুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভবনে প্রবেশ করে কমপক্ষে ১৫টি রুমের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
শহরের মুণিগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত চারতলা এই ছাত্রী নিবাসে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী থাকেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রথম থেকে চতুর্থ তলার অন্তত ১৫টি কক্ষের তালা ভাঙা, ভেতরে সবকিছু তছনছ করে রাখা হয়েছে। চোরের দল কক্ষগুলো থেকে নগদ অর্থ, জামাকাপড়, স্বর্ণালংকার, ব্রডব্যান্ড রাউটার, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে।
ছাত্রী নিবাসের সভাপতি নাইমা ইসলাম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যাওয়ায় হলটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কক্ষে লুটপাট চালায়। বাড়িতে বসে ফোনে চুরির খবর পেয়ে তিনি বিষয়টি ম্যাটস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান।
ম্যাটসের আবাসিক ছাত্র নিবাসের শিক্ষার্থী তন্ময় দাস জয় ও অন্তর শীল জানান, পরপর তিন দিনে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন তারা। প্রথম দিন নিচতলার তিনটি কক্ষে চুরি হয়, পরের দুই দিন দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলাতেও চুরি সংঘটিত হয়।
তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট ও নৈশপ্রহরীর অভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় চোরেরা সহজেই প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। ছাত্রী নিবাসের কর্তৃপক্ষের কাছে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তারা।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোরের দল নিচতলার গ্রিল কেটে ভবনে প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। চুরি হওয়া মালামালের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে