যশোরে পার্কিং করে রাখা বাসে আগুন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যশোর শহরের উপশহর পার্ক সংলগ্ন এলাকায় থেমে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ফজরের আজানের সময় তারা বাসটির ভেতরে আগুন দেখতে পান। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে পাশের বস্তির বাসিন্দারা প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বাসটির সুপারভাইজার মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হান্নান খান জানান, ‘রাহিন স্পেশাল’ নামের বাসটি (মাগুরা জ-১১-০০০৭) যশোর-মাগুরা সড়কে নিয়মিত চলাচল করে। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও বাসটি উপশহর এলাকার পার্কের পাশে পার্কিং করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, রাতে বাসেই ঘুমিয়েছিলাম। ভোরে বাসায় গিয়ে কিছু সময় পরই খবর পাই, বাসে আগুন লেগেছে। ঘটনাস্থলে এসে দেখি সিটসহ ভেতরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে, তবে ইঞ্জিন অক্ষত আছে।

যশোর কোতোয়ালী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, ড্রাইভার সিটের পাশের জানালা ভেঙে ভেতরে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় এলাকার নাইটগার্ড পাশের দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন, আর সুপারভাইজারও তখন বাসায় ফিরছিলেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৫ আগস্ট ঘিরে আয়োজন, চট্টগ্রামে ১৫ আইনজীবী গ্রেপ্তার

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১ দিন আগে

রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল ৪ জনের, আহত ২

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

১ দিন আগে

ফতুল্লায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, ৩ পুলিশসহ আহত ৪

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও

২ দিন আগে

সীতাকুণ্ডের জাহাজে মিলল মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির

২ দিন আগে