
খুলনা ব্যুরো

দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করলেও তারা হিন্দুদের কোনো উন্নয়ন করেনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এর পরিপ্রেক্ষিতে হিন্দুদের উন্নয়নের জন্য ইসলামপন্থি কোনো দলকে ক্ষমতায় প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।
খুলনার ডুমুরিয়ায় স্বাধীনতা চত্বরে হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে শুধু নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইসলামি সরকার।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে এ হিন্দু সম্মেলন আয়োজন করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটি।
সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যারা দাঁড়িপাল্লার জোয়ার দেখে হিন্দু সম্প্রদায়কে ভয়-ভীতির হুমকি দিচ্ছে, তাদের হুমকিতে এবার হিন্দুরা ভয় পাবে না। হিন্দুদের কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এখন হিন্দুদের স্লোগান- ‘সব মার্কা দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ’।
হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাগ্যোন্নয়ন ও ডুমুরিয়া-ফুলতলাসহ দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ৫৪ বছর যারা দেশ চালিয়েছে তারা সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের নির্মূল করা হবে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক। স্থানীয় আসনে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মতুয়া সংঘের সভাপতি ডা. সুদীপ্ত কুমার সুন্দর মন্ডল বলেন, আমরা আর ‘সংখ্যালঘু’ পরিচয় শুনতে চাই না। আমরা সবাই বাংলাদেশি। স্বাধীনতার পর কোনো সরকার হিন্দুদের দাবিতে কাজ করেনি। এবার প্রমাণ হবে— হিন্দু মানেই কোনো নির্দিষ্ট দল নয়।
উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডলের পরিচালনায় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহসভাপতি ও অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, উপজেলা হিন্দু কমিটির সহসভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, কানাইলাল কর্মকার ও প্রভাষক প্রশান্ত কুমার মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম কুমার মন্ডল, পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, ডুমুরিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহসহ অন্যরা।
হিন্দু সম্মেলন ঘিরে ডুমুরিয়ার ১৪টি ইউনিয়ন থেকে বর্ণিল মিছিল এসে জমায়েত হয়। বাদ্যযন্ত্রসহ নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন। সমাবেশ শেষে এক বিশাল গণমিছিল ডুমুরিয়া সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী।

দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করলেও তারা হিন্দুদের কোনো উন্নয়ন করেনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এর পরিপ্রেক্ষিতে হিন্দুদের উন্নয়নের জন্য ইসলামপন্থি কোনো দলকে ক্ষমতায় প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।
খুলনার ডুমুরিয়ায় স্বাধীনতা চত্বরে হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে শুধু নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইসলামি সরকার।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে এ হিন্দু সম্মেলন আয়োজন করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটি।
সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যারা দাঁড়িপাল্লার জোয়ার দেখে হিন্দু সম্প্রদায়কে ভয়-ভীতির হুমকি দিচ্ছে, তাদের হুমকিতে এবার হিন্দুরা ভয় পাবে না। হিন্দুদের কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এখন হিন্দুদের স্লোগান- ‘সব মার্কা দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ’।
হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাগ্যোন্নয়ন ও ডুমুরিয়া-ফুলতলাসহ দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ৫৪ বছর যারা দেশ চালিয়েছে তারা সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের নির্মূল করা হবে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক। স্থানীয় আসনে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মতুয়া সংঘের সভাপতি ডা. সুদীপ্ত কুমার সুন্দর মন্ডল বলেন, আমরা আর ‘সংখ্যালঘু’ পরিচয় শুনতে চাই না। আমরা সবাই বাংলাদেশি। স্বাধীনতার পর কোনো সরকার হিন্দুদের দাবিতে কাজ করেনি। এবার প্রমাণ হবে— হিন্দু মানেই কোনো নির্দিষ্ট দল নয়।
উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডলের পরিচালনায় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহসভাপতি ও অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, উপজেলা হিন্দু কমিটির সহসভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, কানাইলাল কর্মকার ও প্রভাষক প্রশান্ত কুমার মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম কুমার মন্ডল, পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, ডুমুরিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহসহ অন্যরা।
হিন্দু সম্মেলন ঘিরে ডুমুরিয়ার ১৪টি ইউনিয়ন থেকে বর্ণিল মিছিল এসে জমায়েত হয়। বাদ্যযন্ত্রসহ নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন। সমাবেশ শেষে এক বিশাল গণমিছিল ডুমুরিয়া সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে