
নড়াইল প্রতিনিধি

২০১৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নড়াইল-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব) এস এম সাজ্জাদ হোসেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর হোসেন।
কালিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা এবং নড়াইল সদরের পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংসদীয় নড়াইল-১ আসন । হালনাগাদ ভোটার যুক্ত না হওয়ায় এই আসনের ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৭১৭ জন।
এস এম সাজ্জাদ হোসেন কালিয়া উপজেলার পিড়লী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলার রহমান সিকদারের ছেলে।
জানতে চাইলে এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারে মোট পাঁচ জন সরকারি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে ।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণাসহ গণসংযোগে জনসাধারণের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যতগুলো জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নড়াইল-১ আসনে যোগ্য সংসদ প্রার্থী হয়ে তেমন কেউ উন্নয়নের স্বাক্ষর রাখতে পারেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের দোয়া-আর্শীবাদে নির্বাচনে জয়ী হলে আমার ৩০ বছরের সামরিক বাহিনী এবং দেশ-বিদেশে জাতিসংঘের অধীনে চাকরির অভিজ্ঞতাসহ সব কিছুর সমন্বয়ে এলাকার জনগণের উন্নয়নে বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো বলে করি।
তিনি আরো বলেন,আমি এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকদের সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ, এলাকার রাস্তা-ঘাট,কালভার্ট,সেতু নির্মাণ এবং চিকিৎসাসেবাসহ সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছি। এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। তাদের সমর্থনে আমি নির্বাচনে নেমেছি। জনগণ আমাকে ভোট দেবে বলে আশা করি।

২০১৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নড়াইল-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব) এস এম সাজ্জাদ হোসেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর হোসেন।
কালিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা এবং নড়াইল সদরের পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংসদীয় নড়াইল-১ আসন । হালনাগাদ ভোটার যুক্ত না হওয়ায় এই আসনের ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৭১৭ জন।
এস এম সাজ্জাদ হোসেন কালিয়া উপজেলার পিড়লী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলার রহমান সিকদারের ছেলে।
জানতে চাইলে এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারে মোট পাঁচ জন সরকারি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে ।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণাসহ গণসংযোগে জনসাধারণের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যতগুলো জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নড়াইল-১ আসনে যোগ্য সংসদ প্রার্থী হয়ে তেমন কেউ উন্নয়নের স্বাক্ষর রাখতে পারেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের দোয়া-আর্শীবাদে নির্বাচনে জয়ী হলে আমার ৩০ বছরের সামরিক বাহিনী এবং দেশ-বিদেশে জাতিসংঘের অধীনে চাকরির অভিজ্ঞতাসহ সব কিছুর সমন্বয়ে এলাকার জনগণের উন্নয়নে বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো বলে করি।
তিনি আরো বলেন,আমি এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকদের সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ, এলাকার রাস্তা-ঘাট,কালভার্ট,সেতু নির্মাণ এবং চিকিৎসাসেবাসহ সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছি। এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। তাদের সমর্থনে আমি নির্বাচনে নেমেছি। জনগণ আমাকে ভোট দেবে বলে আশা করি।

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে
এর আগে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে শুক্রবার রাতে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহাবুবুল হককে আহ্বায়ক ও সীতাকুণ্ডের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিতে।
২ দিন আগে