
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ আলোচনা-সমালোচনার মুখে স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সুবিধাজনক স্থানে নতুন করে ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা সুবিধাজনক জায়গা দেখে পৌরসভার ভেতরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যটি পুনরায় নির্মাণ করা হবে।’
মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ঝিনাইদহের সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মরণে শহরের প্রবেশমুখে একটি বেদির ওপর ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেটির কাজ শেষ হয়নি।
২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে মাগুরা সড়কের চার রাস্তার মোড়ে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩২ লাখ টাকা।
তবে প্রকল্পের কাজ শুরু হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ২০১৬ সালে আংশিক নির্মাণকাজ হলেও পরে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভাস্কর্যটি আর উদ্বোধন করা হয়নি এবং দীর্ঘদিন ধরেই অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।
গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই দিন বিকেলে শত শত লোক এসে ভাস্কর্যটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
পরে গত বুধবার কিছু শ্রমিক আবারও ভাস্কর্যটি ভাঙার কাজ শুরু করলে এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার থেকে ভাস্কর্যটি ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শহরের একজন মুক্তিযোদ্ধা জানান, ঝিনাইদহ শহরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের একটি পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য নির্মাণের দাবিতে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।
জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় সোমবার বিকেলে বলেন, তিনি জেনেছেন যে জেলা প্রশাসক নতুন করে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।

ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ আলোচনা-সমালোচনার মুখে স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সুবিধাজনক স্থানে নতুন করে ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা সুবিধাজনক জায়গা দেখে পৌরসভার ভেতরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যটি পুনরায় নির্মাণ করা হবে।’
মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ঝিনাইদহের সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মরণে শহরের প্রবেশমুখে একটি বেদির ওপর ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেটির কাজ শেষ হয়নি।
২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে মাগুরা সড়কের চার রাস্তার মোড়ে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩২ লাখ টাকা।
তবে প্রকল্পের কাজ শুরু হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ২০১৬ সালে আংশিক নির্মাণকাজ হলেও পরে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভাস্কর্যটি আর উদ্বোধন করা হয়নি এবং দীর্ঘদিন ধরেই অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।
গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই দিন বিকেলে শত শত লোক এসে ভাস্কর্যটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
পরে গত বুধবার কিছু শ্রমিক আবারও ভাস্কর্যটি ভাঙার কাজ শুরু করলে এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার থেকে ভাস্কর্যটি ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শহরের একজন মুক্তিযোদ্ধা জানান, ঝিনাইদহ শহরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের একটি পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য নির্মাণের দাবিতে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।
জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় সোমবার বিকেলে বলেন, তিনি জেনেছেন যে জেলা প্রশাসক নতুন করে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।

বর্তমানে তার মরদেহ জর্জিয়ার ওই হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। পরিবারের দাবি, নিজস্ব অর্থে মরদেহ দেশে আনার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই সরকারি উদ্যোগে মরদেহ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
৩ দিন আগে
একপর্যায়ে ছাত্রদল নেতাকে উদ্দেশ করে এসপি বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আপনার বহু আগে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করেছি। যাঁকে আপনার পছন্দ হয় না, তাঁকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেন’
৩ দিন আগে
এলাকার ছালিম হোসেনের সঙ্গে সামিরুল মোল্লার পূর্ববিরোধের জের ধরে সামিরুল দলবল নিয়ে ছালিম হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ছালিম হোসেন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও হামলাকারীরা ওই সময় ছালিমের বাড়িতে অবস্থান করা ফারুক হোসেন ও আব্দুল শেখকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
৩ দিন আগে
অবৈধভাবে কাস্টমসের সার্ভারে প্রবেশ করে ভুয়া নথিতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।
৪ দিন আগে