
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র বাসটিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র মাধ্যমে তুলে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ওই বাসে থাকা চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নদী থেকে। ঘাটে প্রস্তুত রাখা হয়েছে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির চালকের আসনের অংশটি নদীর পানির ওপর তুলে আনতে সক্ষম হয় ‘হামজা’। বাকি অংশ পানির নিচেই ছিল।
উঠে আসা অংশে দেখা যায়, বাসের দরজা ভেঙে গেছে। বাসটি ওপরে উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে নদীর পানিতে ভেসে উঠছিল স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ নানা জিনিসপত্র।
ফায়ার সার্ভিস ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, বাসটি নদীর ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল। হামজার মাধ্যমে বাসটিকে তুলে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে খুবই সমস্যা হয়েছে। এখন দ্রুত উদ্ধারকাজ এগিয়ে নেওয়া যাবে বলে আশা করছি।
এর অগে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বাসটিতে। তাদের মধ্যে আট-দশজন সাঁতরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। এখনো ৩০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছেন।
জেলা সিভিল সার্জন ও হাসপাতাল সূত্র চারজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া উদ্ধার করা কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন৷ তিনি দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
সৌহার্দ্য পরিবহনে বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার পথে ছেড়ে যায় বুধবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে। বাসটির কুমারখালী কাউন্টারের মাস্টার মো. তন্বয় শেখ জানান, খোকসা থেকে সাতজন, মাছপাড়া থেকে চারজন ও পাংশা থেকে ১৫ জন যাত্রী বাসটিতে ওঠেন। ইঞ্জিন কাভারেও চারজন যাত্রী ছিলেন। এ ছাড়া গোয়ালন্দ ঘাটে কয়েকজন যাত্রী ওঠেন।
চালক, সুপারভাইজার ও চালকের সহকারীসহ বাসে অন্তত ৫০ জন ছিলেন বলে জানান তন্বয় শেখ। তবে ফেরিতে ওঠার সময় অনেকেই বাস থেকে নেম যান। ফলে ডুবে যাওয়ার সময় বাসটিতে ঠিক কতজন ছিলেন, সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
এদিকে বাস ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু হতে দেরি করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, দুর্ঘটনার সময় দৌলতদিয়া ২ নম্বর ফেরি ঘাটে ছিল উদ্ধারকারী হামজা। সেখান থেকে ৩ নম্বর ঘাট মিনিট পাঁচেকের চেয়েও কম দূরত্বের পথ। কিন্তু দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হামজার সময় লেগেছে এক ঘণ্টা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের অবস্থান শনাক্ত করতে হামজার সময় লেগে যায় আরও এক ঘণ্টা। এর মধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি। বৃষ্টি থামলে রাত ৯টার দিকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র বাসটিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র মাধ্যমে তুলে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ওই বাসে থাকা চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নদী থেকে। ঘাটে প্রস্তুত রাখা হয়েছে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির চালকের আসনের অংশটি নদীর পানির ওপর তুলে আনতে সক্ষম হয় ‘হামজা’। বাকি অংশ পানির নিচেই ছিল।
উঠে আসা অংশে দেখা যায়, বাসের দরজা ভেঙে গেছে। বাসটি ওপরে উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে নদীর পানিতে ভেসে উঠছিল স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ নানা জিনিসপত্র।
ফায়ার সার্ভিস ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, বাসটি নদীর ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল। হামজার মাধ্যমে বাসটিকে তুলে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে খুবই সমস্যা হয়েছে। এখন দ্রুত উদ্ধারকাজ এগিয়ে নেওয়া যাবে বলে আশা করছি।
এর অগে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বাসটিতে। তাদের মধ্যে আট-দশজন সাঁতরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। এখনো ৩০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছেন।
জেলা সিভিল সার্জন ও হাসপাতাল সূত্র চারজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া উদ্ধার করা কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন৷ তিনি দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
সৌহার্দ্য পরিবহনে বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার পথে ছেড়ে যায় বুধবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে। বাসটির কুমারখালী কাউন্টারের মাস্টার মো. তন্বয় শেখ জানান, খোকসা থেকে সাতজন, মাছপাড়া থেকে চারজন ও পাংশা থেকে ১৫ জন যাত্রী বাসটিতে ওঠেন। ইঞ্জিন কাভারেও চারজন যাত্রী ছিলেন। এ ছাড়া গোয়ালন্দ ঘাটে কয়েকজন যাত্রী ওঠেন।
চালক, সুপারভাইজার ও চালকের সহকারীসহ বাসে অন্তত ৫০ জন ছিলেন বলে জানান তন্বয় শেখ। তবে ফেরিতে ওঠার সময় অনেকেই বাস থেকে নেম যান। ফলে ডুবে যাওয়ার সময় বাসটিতে ঠিক কতজন ছিলেন, সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
এদিকে বাস ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু হতে দেরি করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, দুর্ঘটনার সময় দৌলতদিয়া ২ নম্বর ফেরি ঘাটে ছিল উদ্ধারকারী হামজা। সেখান থেকে ৩ নম্বর ঘাট মিনিট পাঁচেকের চেয়েও কম দূরত্বের পথ। কিন্তু দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হামজার সময় লেগেছে এক ঘণ্টা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের অবস্থান শনাক্ত করতে হামজার সময় লেগে যায় আরও এক ঘণ্টা। এর মধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি। বৃষ্টি থামলে রাত ৯টার দিকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে