
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মহানগরীর কাজলা এলাকায় তুষার (৩৫) নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার তুষার নগরীর মতিহার থানাধীন কাজলা এলাকার বাসিন্দা ও নাজিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি বাসার জানালার থাইগ্লাস চুরির সন্দেহে তুষারকে আটক করা হয়। পরে কয়েকজন যুবক তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। রোববার সংঘটিত এ ঘটনার ভিডিও সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তুষারকে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হচ্ছে। একপর্যায়ে একটি বাঁশ ভেঙে গেলে আরেকটি এনে পুনরায় প্রহার করা হয়। এ সময় যন্ত্রণায় কাতর তুষারকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, “মা গো, আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব না…”
স্থানীয়দের দাবি, পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিল ‘হৃদয়’ নামের এক যুবক। নির্যাতনের সময় তুষার বারবার তার কাছে করুণা প্রার্থনা করলেও উপস্থিত কেউই এগিয়ে এসে নির্যাতন থামানোর উদ্যোগ নেয়নি।
সিটিএসবি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম আশিক, মাহিন ও মানিক। ভিডিও ধারণকারী যুবকের নাম হৃদয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের ভাষ্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা উচিত ছিল। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে প্রকাশ্যে এ ধরনের নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘনের পাশাপাশি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কবির বলেন, 'অপরাধকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে সমাজে অপরাধ বাড়তেই থাকবে। এ ঘটনায় অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ভুক্তভোগী নিজেই মামলা করবেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

রাজশাহী মহানগরীর কাজলা এলাকায় তুষার (৩৫) নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার তুষার নগরীর মতিহার থানাধীন কাজলা এলাকার বাসিন্দা ও নাজিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি বাসার জানালার থাইগ্লাস চুরির সন্দেহে তুষারকে আটক করা হয়। পরে কয়েকজন যুবক তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। রোববার সংঘটিত এ ঘটনার ভিডিও সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তুষারকে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হচ্ছে। একপর্যায়ে একটি বাঁশ ভেঙে গেলে আরেকটি এনে পুনরায় প্রহার করা হয়। এ সময় যন্ত্রণায় কাতর তুষারকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, “মা গো, আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব না…”
স্থানীয়দের দাবি, পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিল ‘হৃদয়’ নামের এক যুবক। নির্যাতনের সময় তুষার বারবার তার কাছে করুণা প্রার্থনা করলেও উপস্থিত কেউই এগিয়ে এসে নির্যাতন থামানোর উদ্যোগ নেয়নি।
সিটিএসবি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম আশিক, মাহিন ও মানিক। ভিডিও ধারণকারী যুবকের নাম হৃদয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের ভাষ্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা উচিত ছিল। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে প্রকাশ্যে এ ধরনের নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘনের পাশাপাশি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কবির বলেন, 'অপরাধকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে সমাজে অপরাধ বাড়তেই থাকবে। এ ঘটনায় অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ভুক্তভোগী নিজেই মামলা করবেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে